সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পত্রিকা বিক্রয় প্রতিনিধির ছেলেকে মারধরের মামলায় প্রধান আসামির নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
এর আগে, ২০ জুলাই পুলিশ সদর দপ্তরে গিয়ে বেলকুচি থানার সাবেক ওসি গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী নাবিন মণ্ডল।
অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলকুচি থানার সাবেক ওসি গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সিদ্দিক আহমদ।
ভুক্তভোগী নাবিন মণ্ডল জানান, ১০ জুন উপজেলার সাব-রেজিস্টার অফিসের পাশে তার কনফেকশনারির দোকানে হামলা ও ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে প্রধান আসামিকে বাদ দিয়ে মামলা করতে বলেন ওসি গোলাম মোস্তফা। প্রধান আসামিকে বাদ না দেওয়ায় মামলা নিতে গড়িমসি করেন ওসি। ঘটনার চারদিন পর মামলা নিলেও প্রধান আসামি মণ্ডল গ্রুপের জিএম প্রকৌশলী আমিনুল ইসলামসহ চার জনের নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেন ওসি। এতে তিনি নারাজি পিটিশন দিলে পিবিআইকে পুঃতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। এরপর তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ দেন।
এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিদ্দিক আহমেদ এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন তার ভিত্তিতে পুলিশ সুপার আমাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্ত চলছে।'