বাংলাদেশ এ দলের নিয়মিত সফর মিঠুনের কাছে স্বস্তির

অর্থ সংকটের কারণে এ দলের সিরিজ বাতিল করেছে আফগানিস্তান। বেকাঁয়দাতেই পড়তে হয় বিসিবিকে। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে অবশেষে সাড়া পাওয়া যায় ভারতের রাজ্য তামিলনাড়ুর। তাদের সঙ্গে বিসিবি একাদশ নামে খেলবে মূলত এ দলের ক্রিকেটাররাই। আগামীকাল ৯ অক্টোবর দেশ ছাড়বে দলটি। সেখানে রঞ্জি ট্রফি খেলা ক্রিকেটারদের সঙ্গে লড়াই করবেন তারা। দল হিসেবে ভালো করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উন্নতির জায়গা আছে বলে মনে করছেন দলটির অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

চেন্নাইয়ে দুই দিন অনুশীলন শেষে প্রথম চার দিনের ম্যাচ ১২ থেকে ১৫ অক্টোবর। দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচটি হবে ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর। এক দিনের ম্যাচ তিনটি হবে ২৭, ২৯ ও ৩১ তারিখে। সবগুলো ম্যাচ চেন্নাইর টেস্ট ভেন্যু চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে।

ভারত যাওয়ার আগেরদিন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন অধিনায়ক মিঠুন। সেখানে তিনি জানালেন ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের চেয়ে দলগত সাফল্যের দিকেই মনোযোগী তিনি, ‘আমরা কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়ার আগে পরিস্কার করে গিয়েছিলাম আমরা ওইভাবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দেখছি না। কারণ এ দল মানে বাংলাদেশ এ দল। আমরা ওখানে দলের পারফরম্যান্সের জন্যেই গিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অবশ্যই যার যার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে সুবিধা দেবে। কিন্তু আমরা যখন এ দলের হয়ে খেলতে যাই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের চেয়ে দলের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দেই। ওইটাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। হয়তোবা চোখে পড়ার মতো খুব বেশি পারফরম্যান্স ছিল না। কিন্তু আমাদের যে সফরটা ছিল আমরা কিন্তু সেটিসফাইড। ওই কন্ডিশনটা আমাদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। ইভেন আপনারা যে আন্তর্জাতিক সফরটা দেখেছিলেন ওটার থেকেও কঠিন উইকেটে আমরা ওখানে খেলেছি। তো আমার মনে হয় আমরা দলগতভাবে যে পারফরম্যান্স করেছি ওখান থেকে আত্মবিশ্বাস নেওয়ার আছে। আমরা যদি সবসময় কী পেলাম না সেটা নিয়ে থাকি, তাহলে যেটা পেলাম সেটাও হারানোর সম্ভাবনা আছে। আমার মনে হয়, দল হিসেবে ভালো করেছি। অবশ্যই ব্যক্তিগত পারফর্মেন্সে উন্নতির জায়গা আছে।

ভারতের রাজ্য তামিলনাড়ুর বিপক্ষে দলের লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে, ‘চেন্নাই তুলনামূলক আমাদের জন্য সহজ হওয়ার কথা। কারণ অলমোস্ট একই কন্ডিশন। আর আমাদের দলে এবার বেশকিছু টেস্ট প্লেয়ার যোগ হয়েছে। আশা করছি, শেষ সফরের চেয়ে এখানে ভালো কিছু হবে। ’

‘এ’ দলের নিয়মিত সফরটা স্বস্তির উল্লেখ করে মিঠুন, ‘অবশ্যই এটা স্বস্তির জায়গা। এর আগে আমরা সবাই জানতাম, পাইপলাইন যেটা হয় সেক্ষেত্রে এ দলের একটা রেগুলার স্টাকচার থাকা উচিত। কারণ আমরা ঘরোয়াতে যেমন ক্রিকেট খেলি তার চেয়ে এ দলের সফরগুলো চ্যালেঞ্জিং হয়। এটা অবশ্যই একটা ভালো সাইন। এটা যদি নিয়মিত হয় বাংলাদেশ দল অনেক উপকৃত হবে।’