জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২৪তম আসর মাঠে গড়িয়েছে গতকালই। মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ঢাকা ও রংপুর বিভাগ। চার দিনের এই খেলা শেষ হয়েছে দেড় দিনেই। ইনিংস ও ৬২ রানের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ঢাকা।
সোমবার টস জিতে রংপুরকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন ঢাকার অধিনায়ক তাইবুর রহমান। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধ্বস নামে রংপুরের। উদ্বোধনী জুটিতে কিছুই করতে না পারা মাইশুকুর রহমান ও জাহিদ জাভেদ ফিরে যান দ্রুতই। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তানভীর হায়দার। জাতীয় দলের একসময়ের ফিনিশার খেতাব পাওয়া নাসির হোসাইন ১ রানেই ফিরে গেছেন।
অধিনায়ক আকবর আলিও ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। এরপর আরিফুল হক (৩৪) ও রিশাদ হোসাইন (২৪) রান করলেও তিন অংকের রানের আগেই থামতে হয়। সুমন খানের বোলিং তোপে মাত্র ৯২ রানেই থেমে যায় রংপুরের ইনিংস।
ঢাকার হয়ে সুমন পাঁচ মেইডেনসহ ২৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন। এছাড়া সালাহউদ্দিন শাকিল ও রিপন মন্ডলসহ প্রত্যেকেই নেন দুটি করে উইকেট।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার শুরুটাও খুব ভালো হয়নি। ১৮ রানের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনারকে। তবে নাদিফ চৌধুরীর ৯০ ও অধিনায়ক তাইবুরের ৪২ রানে ভর করে ২১০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজধানীর এই বিভাগটি।
রংপুরের হয়ে মুশফিক হাসান চার মেইডেনসহ ৪৮ রান দিয়ে নেন ৫টি উইকেট। এছাড়া রবিউল হক তিনটি এবং আবু হাশিম একটি উইকেট শিকার করেন।
প্রথম ইনিংসের বোলিং তোপ দ্বিতীয় ইনিংসেও জারি রেখেছিলেন সুমন খান। এবার সঙ্গী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন সালাহউদ্দিন শাকিল। দুজনেই শিকার করেছেন চারটি করে উইকেট। চার মেইডেনসহ ১৬ রান দিয়েছেন সুমন, শাকিলও সমান রান খরচায় পেয়েছেন পাঁচটি মেইডেন।
তাদের বোলিং তোপের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি রংপুরের ব্যাটাররা। মাইশুকুর রহমান ছাড়া আর কেউ পায়নি দুই অংকের রানের দেখাও। তাতে ৫৬ রানের বেশি করতে পারেনি রংপুর বিভাগ। ইনিংস ও ৬২ রানে ঢাকা বিভাগের জয়ের দিন দুই ইনিংস সমানতালে বল করা সুমন খান হয়েছেন ম্যাচ সেরা।