প্রথমবারের মতো দেশের পুঁজিবাজারে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করতে চাচ্ছে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এ বিষয়ে খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। কমোডিটি এক্সচেঞ্জের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়ার (এমসিএক্স) সঙ্গে চুক্তি করার ছয় মাসের মধ্যে প্রথম উদ্যোগটি সফলভাবে শেষ করেছে সিএসই।
খসড়া বিধিমালা গতকাল মঙ্গলবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেছেন সিএসইর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম। সিএসইর পরিচালক এমদাদুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিপণ্য, গবাদিপশু, মাছ, বনজসম্পদ, খনিজ ও জ¦ালানি পণ্যসহ উৎপাদিত যেকোনো পণ্য কেনাবেচা বা লেনদেনের উদ্দেশ্যে যে এক্সচেঞ্জ বা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে, সেটিই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ নামে পরিচিত। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ অনুযায়ী, উল্লিখিত পণ্যসামগ্রী কমোডিটি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বেচাকেনা হবে।
এ পদ্ধতিতে কেনাবেচাটা হয় কাগুজে বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে। মূল পণ্যটি কোনো গুদামে বা মাঠে থাকে। সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর এটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা হস্তান্তর হয়।
কমোডিটি এক্সচেঞ্জ তৈরি এবং বিকাশের জন্য খসড়া বিধিমালাটি (দুটি ধাপে বিভক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে) কমিশনের কাছে পর্যালোচনা এবং প্রতিক্রিয়ার জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের আগস্টে সিএসইর পর্ষদ সভার সিদ্ধান্তের পর কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরুর জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। পাশাপাশি কমোডিটি এক্সচেঞ্জের প্রয়োজনীয় সম্ভাবনা নিয়ে একটি ধারণাপত্রও কমিশনে জমা দেওয়া হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি ৩০ অক্টোবর শর্ত সাপেক্ষে প্রাথমিক সম্মতি দেয়।