পীরগঞ্জে বজ্রপাতে ইটভাটার শ্রমিকসহ ৫ জনের মৃত্যু

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে মারা গেছেন ইটভাটার চার শ্রমিকসহ পাঁচজন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। এ ছাড়া নওগাঁর মহাদেবপুরে মারা গেছেন এক কৃষক।

গতকাল মঙ্গলবার পীরগঞ্জের কাবিলপুর ইউনিয়নের বত্রিশমাইল বিটিসি এলাকায় এবং মহাদেবপুরের এনায়েতপুর ইউনিয়নের বুজরকান্তপুর এলাকায় বজ্রপাতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

পীরগঞ্জে মারা যাওয়া পাঁচজন হলেন পাশের সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট তিলক পাড়া গ্রামের বাদশার ছেলে নাজমুল (১৮), ইদিলপুর ইউনিয়নের চকনদী গ্রামের সিরুলের ছেলে সিয়াম (২০), আল আমিনের ছেলে শাহাদত (২৫), আয়তালের ছেলে রাশেদুল (২৪) ও সোনাতলা কবুলপুর গ্রামের জব্বারের ছেলে জলিল (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ইটভাটা কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল দুপুর ৩টার দিকে ভাটার শ্রমিকরা গাড়ি ইট বোঝাই করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে ভাটার এক প্রান্তে টিনের চালার নিচে আশ্রয় নেন পাঁচ শ্রমিক। মাঠ থেকে দৌড়ে এসে সেখানে আশ্রয় নেন একজন কৃষক। বজ্রপাতে তাদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলে মারা যান। একজনের মৃত্যু হয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে।

আহত ব্যক্তির নাম মেহেদুল পীরগঞ্জ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

ভাটা মালিক বকুল ও পীরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুব হোসেন দেশ রূপান্তরকে পাঁচজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল দুপুর ২টার দিকে বজ্রপাতে মারা গেছেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার বুজরকান্তপুর পূর্বপাড়ার সুজাদ হোসেন (৩০)। তিনি ওই গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির মধ্যে সুজাদ তার বাড়ির পাশের মাঠের একটি ধান ক্ষেতের পানি বের হয়ে যাচ্ছে কি না দেখতে যান। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

বজ্রপাতে মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ।