চট্টগ্রাম সমাবেশে ফখরুল

র‌্যাবকে না শেখ হাসিনাকে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা এমন একটা অবস্থায় এসেছি, র‌্যাবকে মার্কিন সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তিনি বলেন, র‌্যাবকে নিষেধাজ্ঞা দিলে হবে না, সরকারকে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। শেখ হাসিনাকে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। কারণ শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ঘটেছে। টর্চার করে মানুষ মেরে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গুমের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার চট্টগ্রামের রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, পুলিশের গুলিতে পাঁচ নেতাকর্মী নিহত ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে এ মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশকে ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। পুলিশি হয়রানি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলা-বাধা ইত্যাদি কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের বাইরে থাকা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা বের হয়ে আসে ঘর থেকে। সকাল থেকেই আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাসযোগে দলের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম শহর থেকে আসতে থাকেন। দুপুর গড়াতেই সমাবেশস্থলের কাছে নগরীর সিআরবি এলাকায় গিয়ে জড়ো হতে থাকে নেতাকর্মীরা। চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড থেকেও দলীয় নেতাকর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে থাকেন। বিকেলের আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পলোগ্রাউন্ড মাঠ। মাঠে ঢুকতে না পেরে সমাবেশ স্থলের বাইরে অবস্থান নেন অসংখ্য নেতাকর্মী।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে দলের মহাসচিব ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ^র রায়, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ কেন্দ্রীয়, জেলা ও থানা নেতারা বক্তৃতা দেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে শ্মশানে পরিণত করেছে। গণতন্ত্রের জন্য আবারও যুদ্ধ করতে হবে। লড়াইয়ে নামতে হবে। এই লড়াইয়ে হয় জিতব, না হয় মারা যাব। তিনি বলেন, এখন সরকারকে হটানো কেবল বিএনপি বা জাতীয় পার্টির প্রশ্ন নয়, সমগ্র জাতির প্রশ্ন। যদি আমরা এর প্রতিবাদ করতে না পারি, তাহলে গণতন্ত্র ফিরে পাব  না। আমরা আমাদের গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই। বাকস্বাধীনতাসহ আমাদের সব অধিকার ফিরে পেতে চাই। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই।

তিনি বলেন, আজ দেশে কোনো মানুষের নিরাপত্তা নেই। মা-বোনদের সম্মান দেওয়া হয় না। শতকরা ৪২ ভাগ মানুষ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন বলেছে, বাংলাদেশে গুম হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে বাংলাদেশে মানবাধিকার নেই। এখানে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- হয়। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয়। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে যে সাজা দিয়েছে এটি রাজনৈতিক সাজা বলে মার্কিন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজনীতি থেকে দূরে থাকার জন্য তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল দলীয় চেয়ারপারসনের মুুক্তি দাবি করে বলেন, আমাদের নেত্রী আজ বন্দি। তিনি ঠিকমতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না। তারা আমাদের ভয় দেখান আমাদের নেত্রীকে আবার জেলে পাঠাবেন। কিন্তু খালেদা জিয়া জেলকে ভয় পান না। তিনি বলেন, এরা বিচার বিভাগ, প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাবকে দলীয়করণ করেছে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ আর ছাত্রলীগের কর্মীরা জনগণের পকেট কেটে বিদেশে পাচারে সহযোগিতা করছে। তারা বলছে, দেশে দুর্ভিক্ষ আসছে। তেল কম খান, বিদ্যুৎ কম জ্বালান। তাই যদি হয়, তাহলে আপনারা ক্ষমতায় আছেন কেন? আজই পদত্যাগ করুন।

তিনি বলেন, এ সরকার অনির্বাচিত সরকার। দেশের মানুষ তাদের মেনে নেয়নি। দেশকে তারা শ্মশানে পরিণত করেছে। সব লুট করে বিদেশে পাচার করছে। এদিকে জনগণ না খেয়ে মরছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুতের দাম আবার বাড়াবে বলে শোনা যাচ্ছে। এরা লুটপাট করে কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি বানায়। আর জনগণ কষ্টে দিনাতিপাত করছে। মানুষ দু’মুঠো খাবার পায় না। মানুষের নিরাপত্তা নেই, দিনদুপুরে ডাকাতি, ছিনতাই হয়।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন দিয়ে কোনো নির্বাচন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়ে নির্বাচন দিতে হবে। জেলা প্রশাসকরা নির্বাচন কমিশনকে মানে না উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কয়েক দিন আগে ডিসিরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছেআমরা আপনার কথা মানি না। এ রকম নির্বাচন কমিশন দিয়ে কোনোভাবেই নির্বাচন নয়।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্করের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাজাহান, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, এস এম ফজলুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সমাবেশের সমন্বয়কারী মাহবুবের রহমান শামীম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মির্জা ফখরুল ও রিজভীর উদ্বেগ : সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়েন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমানসহ আরও অনেকে। তারা বিমানযোগে চট্টগ্রামে যান। যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে অবস্থানকালে দেশ রূপান্তরকে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত মঙ্গলবার রাত থেকেই আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাতে মাইকিং করে আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়ে বলেন, সমাবেশে গেলে এলাকাছাড়া করা হবে। চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতি উৎসাহী কিছু সদস্যরা হোটেলে, নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, বিভাগীয় সমাবেশগুলোর মাধ্যমে আমরা জনমত গঠন করব। ধাপে ধাপে চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যাব। গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত করব।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদও গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, সমাবেশে আসার আগে নেতাকর্মীদের হামলার মুখে পড়তে হয়েছে। টেলিফোনে তিনি দেশ রূপান্তরকে জানান, ‘গত মঙ্গলবার রাতেই খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, তার জেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেতাকর্মীদের জন্য ভাড়া করা তিনটি বাস থেকে তাদের নামিয়ে দিয়ে থানা কম্পাউন্ডে নিয়ে রেখেছেন। এ ছাড়া গতকাল বুধবার সকাল থেকেই সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া নেতাকর্মীদের ওপর বিভিন্ন স্থানে হামলার খবর আসতে থাকে।’

গাড়িতে তলাশি ও হামলা, আহত ১০ : মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গত মঙ্গলবার থেকে বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দলের লোকজন মহড়া দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে। উপজেলার সব বাস, মাইক্রোর মালিক ও চালকদের বিএনপির ভাড়া না ধরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সকাল থেকে মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট, জোরারগঞ্জ, ঠাকুরদীঘি, মিরসরাই সদর, বড়তাকিয়া, কমলদহ, ডাকঘর, বড়দারোগাহাটে গণহারে গাড়ি তল্লাশি করে উত্তর দিকে পাঠিয়ে দিয়েছে সরকারি দলের লোকজন। কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও করেছেন তিনি।

বিএনপির অভিযোগ, সরকারি দলের হামলায় অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বারইয়ারহাটে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত হয়েছেন বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসীম উদ্দিন (৫০), হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কাজী ছালেহ আহম্মদ (৫২), পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম হাজারী (৫০), বিএনপি নেতা জাফর আলম লিটনসহ (৪০) ১০ জন। তাদের উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে মিরসরাইয়ের আওয়ামী লীগের কর্মীরা ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাতভর এলাকা পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানান। স্ট্যাটাসে বিভিন্ন ইউনিটের কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়, বিভাগীয় সমাবেশের নামে মিরসরাইয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।

মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার ওসি নূর হোসেন মামুন বলেন, বারইয়ারহাটে হামলার ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেনীতে ১৫টি গাড়িতে হামলা, আহত ৩০ : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট, মিঠাছড়া, মিরসরাই, সীতাকু-, নিজামপুর ও কমলদহ এলাকায় প্রায় ১৫টি গাড়িতে হামলায় বিএনপির ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হন।

দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন জানান, সমাবেশে যাওয়ার পথে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির ১০-১২টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় সরকারদলীয় ক্যাডারদের হামলায় দাগনভূঞা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কবির আহমেদ ডিপলু, যুগ্ম আহ্বায়ক দিদার, ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাজিব, যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ, ফেনী পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী, ছাত্র নেতা রিপন, শুভসহ প্রায় ৩০ নেতাকর্মী হামলার শিকার হন।

ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ‘বুধবার সকালে ফেনী থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বারইয়ারহাট, মিঠাছড়া, মিরসরাই, সীতাকুন্ড, নিজামপুর ও কমলদহ অংশে ১৫টি গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা  হয়।

সীতাকু-ে তল্লাশির নামে হয়রানির অভিযোগ : চট্টগ্রামের সীতাকু-ে সমাবেশে যাওয়ার পথে চেকপোস্টের নামে হয়রানির অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে সমাবেশে অংশ নিতে যাওয়া নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয়েছে। অনেক গাড়ি থেকে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার কারণে অনেকে হেঁটে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। তবে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের।

বিএনপির দাবি, নেতাকর্মী বহনকারী অনেক গাড়ি উল্টোপথে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তল্লাশির কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে।

তবে উপজেলা প্রশাসন জানায়, নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান প্রায়ই করা হয়। বুধবার ফৌজদারহাট বন্দর লিংক সড়কের মুখে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদাত হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল আলম। এ সময় সীতাকু- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বড় দল তল্লাশিতে অংশ নেয়। গতকাল বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফিটনেস ও কাগজপত্র না থাকাসহ নানা অভিযোগে ১৫টি মামলায় মোট ৩০ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সীতাকুন্ড থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত সুমন বণিক বলেন, তল্লাশির কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যাদের গাড়ির কাগজপত্র সঠিক ছিল, তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ফৌজদারহাটে সড়কের ওপর একটি লরি নষ্ট হওয়ায় কিছু সময় যানজট ছিল।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন মিরসরাই (চট্টগ্রাম), ফেনী ও সীতাকুন্ড (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি।