সঙ্গী হিসেবে মাহরাম বা পুরুষ অভিভাবক ছাড়া নারীদের হজ ও ওমরাহ পালনের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রী তাওফিক বিন ফাওজান আল রাবিয়া এ ঘোষণা দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ-কে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ অনলাইন। কায়রোতে সৌদি আরবের দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে অন্য বিষয়গুলোর সঙ্গে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিসরে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ওসামা বিন আহমেদ নুগালিসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। হজ ও ওমরাহ সার্ভিসের উপদেষ্টা আহমেদ সালেহ হালাবি বলেছেন, পুরুষ অভিভাবক ছাড়া নারীদের এখন হজ ও ওমরাহ করার অনুমতি আছে। তবে সঙ্গে থাকতে হবে হজ ও ওমরাহকারী বিশ্বাসযোগ্য নারীদের দল। এটা হলো মালিকি এবং শাফিই মতাবলম্বী ধর্মীয় নেতাদের মত।
তিনি আরও বলেন, মিসরে আল আজহার আল শরিফের ফতোয়াবিষয়ক সুপারভাইজার আব্বাস শোমান গত মার্চে ঘোষণা দিয়েছেন যে, পুরুষ অভিভাবক ছাড়া একজন নারী হজ ও ওমরাহ পালন করতে পারবেন।
হজবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ও লেখক ফাতিন ইব্রাহিম হোসেন বলেছেন, সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে হজ ও ওমরাহ পালনে মুসলিমদের সব রকম সুবিধা দেবে সৌদি আরব। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া নারীদের হজ করার অনুমোদনে তাদের জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে। কারণ, অনেকেই জটিল সামাজিক অবস্থায় থাকেন। তারা হয়তো তেমন পুরুষ সঙ্গীর ব্যবস্থা করতে পারেন না। অথবা এমনও হতে পারে তারা অর্থের সংস্থান করতে পারেন না। কিন্তু ওমরাহ করার জন্য উদগ্রীব থাকেন তারা। সৌভাগ্য যে, এর ফলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সব ইস্যু ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।