আমাদের দেশের বেশির ভাগ নারী এখন ঘরে-বাইরে দু’দিকে সামাল দিচ্ছেন। ফলে নিজেদের জন্য সময় কমে যাচ্ছে অনেকটাই। ব্যায়াম করা বাদ পড়ছে প্রতিদিনের রুটিন থেকে। কিন্তু সুস্থ শরীর অপরিহার্য। যত সকাল-সকাল ব্যায়াম সেরে ফেলতে পারেন, ততই ভালো। এর উপকার দুটি। এক, কাজ শুরুর আগেই ব্যায়াম করে নিলে কাজের মধ্য থেকে সময় বার করার দরকার পড়বে না। দুই, ব্যায়াম দিয়ে দিন শুরু করলে মন ও শরীর দুই-ই প্রস্তুত হয়ে যাবে গোটা দিনের চাপ নেওয়ার জন্য। একান্তই যদি সকালে সময় বার করতে না পারেন, তা হলে সারা দিনের কাজের মাঝখানে যেটুকু সময় পাবেন, তখনই ভাগ করে ব্যায়াম সেরে নিতে পারেন।
যা করণীয়
অফিসের ডেস্কে দীর্ঘ সময়ে টানা কাজ করতে হলে মাঝে মাঝে সেখানেই স্ট্রেচিং সেরে নিতে পারেন। হাত-পা ঘোরানোর মতো ব্যায়াম করে নেওয়া যায়। ঘাড়ের ব্যায়ামও সেরে নিতে পারেন।
কোথাও লাইনে অনেকক্ষণ দাঁড়াতে হলে খানিকক্ষণ বাঁ পায়ের ওপরে দাঁড়ান, খানিকক্ষণ ডান পায়ের ওপরে। এভাবে ব্যালান্সিংয়ে আপনার পায়ের পেশির গঠন মজবুত হবে।
ফোনে কথা বলার সময়ে বসে না থেকে হাঁটতে-হাঁটতে কথা বলুন।
রান্না করার সময় ভাত বসিয়ে বা চা বসিয়ে কয়েকটা ওয়াল পুশআপ সেরে নিতে পারেন।
দাঁত মাজতে মাজতে ১০-১২টা স্কোয়াট করে নিন।
টিভি দেখতে দেখতে ট্রেডমিলে হেঁটে নিতে পারেন বা প্যাডলিং করে নিতে পারেন। ফ্রি-হ্যান্ড কিছু ব্যায়াম, কাউচ পুশআপস, স্টার জাম্পও করে নেওয়া যায়।