অসময়ে বিপজ্জনক ডেঙ্গু

বাংলাদেশে ডেঙ্গুর ধরন ও সময় বদলে গেছে। আগে যেখানে সাধারণত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দিত; এবার অক্টোবরে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এমনকি বিগত বছরগুলোতে যেখানে সাধারণত ডেঙ্গুর একটি ধরন দিয়ে মানুষ আক্রান্ত হতো; এবার সেখানে ঢাকায় দুই ধরনের ডেঙ্গু দেখা যাচ্ছে। আবার ঢাকার বাইরে অন্য দুই ধরনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।

এমনকি অন্য বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গু রোগীদের জটিলতা ও মৃত্যু বেড়ে গেছে। উপসর্গ দেখামাত্র হাসপাতালে ভর্তি হলেও ভর্তির দুই-তিন দিনের মধ্যেই রোগী দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, বমি হচ্ছে এবং শেষ অবধি রোগীকে বাঁচাতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

এ বছর ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবকে ‘বিপজ্জনক’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা এর জন্য দুটি কারণ চিহ্নিত করেছেন একটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন, অন্যটি ডেঙ্গুর ধরন বদলে যাওয়া।

এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ডেঙ্গুর ‘হট স্পট’ ব্যবস্থাপনা এবং সময়মতো ডেঙ্গু চিকিৎসার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এ দুটোর কোনোটাই সঠিকভাবে হচ্ছে না বলেও মনে করেন তারা। সে কারণেই এবার ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে এবং রোগীদের দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে বলে মত দিয়েছেন তারা। এমন অবস্থায় এ বছর অক্টোবর জুড়েই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বড় আকারে থাকবে বলে মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। তিনি গতকাল রবিবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, অক্টোবর জুড়েই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বড় আকারে থাকবে বলে মনে হচ্ছে। নভেম্বরের দিকে কমে আসবে। শীত পড়ে যাবে। বৃষ্টি হবে না। এডিশ মশার প্রজনন অনুকূলে থাকবে না। তখন ডেঙ্গুও কমে আসবে।

এমন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও ৫ জন মারা গেছে এবং এ বছরের সর্বোচ্চ ৮৫৫ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার এক দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৬৫ ডেঙ্গুরোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। সেদিনই ছিল এ বছরের দৈনিক সর্বোচ্চ ৮ মৃত্যু। এ নিয়ে এ বছর এখন পর্র্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে ২৫ হাজার ১৮১ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং মারা গেছে ৯৪ জন।

ডেঙ্গুর সময় ও ধরন বদলেছে: গত ৯ বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের সময় বদলে গেছে। এই ৯ বছরের মধ্যে ২০১৪ সালে জুলাই মাসে সে বছরের সর্বোচ্চ ৮২ রোগী ছিল। সেপ্টেম্বরে বছরের সর্বোচ্চ রোগী ছিল চার বছর ২০১৫ সালে ৯৬৫ জন, ২০১৬ সালে ১৫৪৪ জন, ২০১৮ সালে ৩০৮৭ জন ও ২০২১ সালে ৭৮৪১ জন। আগস্টে সর্বোচ্চ ৫২৬৩৬ রোগী ছিল ২০১৯ সালে। নভেম্বরে সর্বোচ্চ ৫৪৬ রোগী ছিল ২০২০ সালে। কিন্তু আগের সব রেকর্ড ভেঙে এবার ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ প্রাদুর্ভাব চলছে চলতি অক্টোবরে।

এ বছর গতকাল রবিবার পর্র্যন্ত মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ২৪০ জন। তাদের মধ্যে চলতি অক্টোবরের ১৬ তারিখ (গতকাল) পর্যন্ত  এ মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯০৮৯ জন। এর আগের মাসে সেপ্টেম্বরে মোট শনাক্ত হয়েছিল ৯৯১১ রোগী। সে হিসেবে এ মাস শেষে রোগীর সংখ্যা গত মাসকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এমনকি এ বছর এ মাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩৯ জন মারা গেছেন। গত মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ জনের মৃত্যু ছিল। আগস্টে মারা গেছেন ১১ জন, জুলাইয়ে ৯ জন ও জুনে ১ জন। বছরের আগের পাঁচ মাসে কোনো রোগী মারা যাননি।

এমনকি এ বছর ডেঙ্গুর ধরনও বদলেছে। ডেঙ্গুর চারটি সেরোটাইপ আছে ১, ২, ৩ ও ৪। গত বছর শুধু সেরোটাইপ-৩ ছিল। এ বছর ঢাকাতে সেরোটাইপ-৩ ও সেরোটাইপ-৪  দুটোই পাওয়া যাচ্ছে। আবার কক্সবাজারে সেরোটাইপ-১ ও সেরোটাইপ-৩ এ দুটো পাওয়া যাচ্ছে। যখন কোনো একটি বছরে ডেঙ্গুর দুটো সেরোটাইপ একসঙ্গে হয়, তখন ডেঙ্গুটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বছর ডেঙ্গুর বিপজ্জনক পরিস্থিতির জন্য ধরন ও সময় বদলে যাওয়াকে দায়ী করেছেন অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার। তিনি বলেন, ২০০০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ এ বছরের মতো ছিল না। কোনো বছর আগস্টে, কোনো বছর সেপ্টেম্বরে বেশি হতো। এ বছর অস্বাভাবিক একটি পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। এর একটি কারণ হলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের বৃষ্টিপাতের সময় পরিবর্তন হয়েছে। এখন অক্টোবরেও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যে কারণে এডিস মশার প্রজনন অক্টোবরেও যথেষ্ট পরিমাণে হচ্ছে। আরেকটি কারণ হচ্ছে, যখন ডেঙ্গুরোগী বাড়তে থাকে, তখন এডিস মশাও বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে যদি দুটি জিনিস বাড়ে, সেটার যেকোনো একটাকে কমিয়ে দিতে হয়। কমিয়ে দিলেই সংক্রমণকে ধীরগতির করা যায়। আমরা কোনোটাই কমাতে পারছি না।

এবার ডেঙ্গুর ধরনের কারণেও সংক্রমণ বেশি হচ্ছেজানিয়ে এই কীটতত্ত্ববিদ বলেন, বাংলাদেশে সেরোটাইপ-১ ও ৩ দিয়ে মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। কোনো না কোনো বছর যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল। সেই মানুষটা যদি আবার কোনো একটি নতুন সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তখন সেই মানুষের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ বছর এটাই হয়েছে। সে কারণে এবার ডেঙ্গুর ঝুঁকিটা বেশি বেড়ে গেছে এবং ডেঙ্গু বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। কারণ তার রোগ প্রতিরোধ পদ্ধতি আগের যে ভাইরাস শরীরে ঢুকেছিল, সেটাকে চেনে। ডেঙ্গুর নতুন ভাইরাসকে চিনতে পারে না এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিতে পারে না দেহ। সে কারণে এবার অনেক ডেঙ্গুরোগী হঠাৎ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ একটি ধরন দিয়ে আগে আক্রান্ত হলে পরে সে যদি আবার আক্রান্ত হয় ও ধরনটি আলাদা হয়, তখন সমস্যা হয়ে যায়। এবার দেশে সেটাই হচ্ছে।

ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকার বাইরেও: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত সাত বছরের ডেঙ্গুরোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, একসময় রাজধানীকেন্দ্রিক ডেঙ্গু এখন ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৬ সালে দেশে ডেঙ্গুরোগীর ৯৯ শতাংশই ছিল ঢাকায় এবং মাত্র ১ শতাংশ ছিল ঢাকার বাইরে। এখন রোগীর ৮৩ শতাংশ ঢাকায় ও ১৭ শতাংশ ঢাকার বাইরে। ২০১৭ সালে ঢাকায় রোগী ছিল ৯৬ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ৪ শতাংশ। পরের বছর ২০১৮ সালে শতভাগ রোগীই ছিল ঢাকায়। কিন্তু ২০১৯ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ডেঙ্গুরোগীর বছরে ঢাকায় রোগী ছিল ৫১ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ৪৯ শতাংশ। এরপর থেকেই ঢাকার বাইরে রোগী বাড়তে থাকে। ২০২০ সালে ঢাকায় রোগী ছিল ৮৭ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ১৩ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ঢাকায় রোগী কমে দাঁড়ায় ৮৩ শতাংশে ও ঢাকার বাইরে বেড়ে হয় ১৭ শতাংশ। এ বছর এরই মধ্যে ঢাকায় মোট রোগীর ৭৩ শতাংশ ও  ঢাকার বাইরে ২৭ শতাংশ রোগী পাওয়া গেছে।

হট স্পট ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ : কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার বলেন, এই মুহূর্তে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যেটি করা উচিতসেটি ডেঙ্গুর ‘হটস্পট’ নিয়ন্ত্রণ করা। হট স্পটগুলোকে চিহ্নিত করে এডিস মশা নিধনে ব্যবস্থা নিতে হবে। এই মুহূর্তে ঢাকায় সবচেয়ে বড় হটস্পট মিরপুর। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে উত্তরা, তৃতীয় মুগদা, চতুর্থ যাত্রাবাড়ী, পঞ্চম ধানমণিড। এসব হটস্পটে এডিস মশা নিধনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম নিতে হবে। উড়ন্ত মশাগুলো বেঁচে থাকলে ওই মশা তখন অন্য সুস্থ মানুষকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত করবে। এপিডেমিক কন্ডিশনে হটস্পট ম্যানেজমেন্ট করতে হয়। এটা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু সেটা হচ্ছে না।

শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে : রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড হাসপাতাল) প্রতি পাঁচজন রোগীর একজন শিশু বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. কাজী মো. রশিদ উন নবী। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, বর্তমানে রোগী ভর্তি আছে ১১৬ জন। তাদের মধ্যে পূর্ণ বয়স্ক (১৫-৮০ বছর পর্যন্ত) রোগী ৫৭ জন আর শিশু (১-১৪ বছর পর্যন্ত) ২০ জন। সবসময় প্রায় এরকমই থাকে। অর্থাৎ পাঁচজন পূর্ণ বয়স্ক রোগী হলে শিশু থাকে একজন।

এই পরিচালক বলেন, ‘আমার হাসপাতালে রোগী কমের দিকে। এই মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি ছিল ৬ অক্টোবর, ১৭৪ জন। আজকে রবিবার (গতকাল) ১১৭ জন, গত শনিবার ১৩৫ জন, তার আগের দিন ১২০ জন, তার আগের দিন ১১৪ জন। সবচেয়ে বেশি ছিল ৫ অক্টোবর ১৫৫ জন। সে হিসেবে এখন রোগী একটু কম। কমের দিকে। এবার মধ্যবয়সী ১৭-৩৫ বছর বয়সী রোগী একটু বেশি। কারণ এই বয়সী রোগী বেশি বাইরে থাকে, সেটা কারণ হতে পারে।’

এবার মৃত্যুহার খুব বেশি না উল্লেখ করে এই পরিচালক বলেন, মাঝখানে একদিন দুজন রোগী মারা গেছে। তারা আসার ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছে এবং খুব খারাপ অবস্থায় এসেছিল। জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৬ জন। তার মধ্যে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত এই মাসেই মারা গেছে ৪ জন। দুজনের ডেঙ্গুর সঙ্গে অন্য রোগ ছিল। আর দুজনের মধ্যে একজন রাত ১২টায় এসেছে, সকাল ৬টায় মারা গেছেন। তিনি শক সিন্ড্রোম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছিলেন। তাকে চিকিৎসা দিয়েছি, কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

দেরি না করে ডেঙ্গু পরীক্ষার পরামর্শ: এ ব্যাপারে মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. কাজী মো. রশিদ উন নবী বলেন, যদি কারও জ্বর হয়, টেস্ট করান। সরকারি হাসপাতালে এখন ডেঙ্গুর টেস্ট বিনামূল্যে করা হচ্ছে। টেস্টে ডেঙ্গু ধরা পড়লে সে অনুযায়ী চিকিৎসা হবে। যদি কারও বারবার বমি হচ্ছে, পেটে ব্যথা হচ্ছে অথবা শরীরের কোথাও যদি ব্লিডিং বা রক্তপাতের লক্ষণ বা র‌্যাশ দেখি, তা হলে অবশ্য অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে চলে আসতে হবে। আরেকটু দেখি, আরেকটু দেখি এটা করা যাবে না।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নিয়াতুজ্জামান বলেন, বাড়তে বাড়তে এখন ডেঙ্গু রোগী একটা জায়গায় স্থির হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২৫-৩০ জন করে রোগী ভর্তি হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ১২০-১২৫ জন করে রোগী ভর্তি থাকছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে এভাবে হতে হতে এখন একটা স্থির জায়গায় এসেছে। যারা তাড়াতাড়ি আসেন, তাদের জটিলতা কম থাকে। এখানে মৃত্যু নেই বললেই চলে। ক্ল্যাসিক ডেঙ্গু রোগী বেশি। জ্বর, গা-ব্যথা বেশি।

এই চিকিৎসক কর্মকর্তা বলেন, ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। যদি অন্য কোনো কোমরবিডিটি থাকে, সেখানে কোন অ্যান্টিবায়োটিক দেবেসেটা চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন। রোগী বা তার লোকজন নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. খলিলুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জন ভর্তি হয়েছে। এখন ৯৬ জন ভর্তি আছে। অক্টোবর থেকেই বেড়ে গেছে। তার আগে দৈনিক ৫-৭ জন করে আসত। শিশু রোগীর সংখ্যা ১০-২০ শতাংশের মতো। এখানে ডেঙ্গুতে এখনো কেউ মারা যাননি। কিন্তু রোগীদের অবস্থা অন্যান্য সময়ের তুলনায় কিছুটা জটিল। রোগীরা খুব তাড়াতাড়ি দুর্বল হয়ে যায়। কারও প্রেসার কমে যাচ্ছে। কেউ কেউ খেতে পারছে না। এ ধরনের রোগী বেশি। কারণ ডেঙ্গুর বিভিন্ন ধরন থাকলে সমস্যা বেশি। কারও কারও হয়তো আগেও ডেঙ্গু হয়েছিল। এবার আবার হয়েছে এবং অন্য ধরন দিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এটা হলে ঝুঁকি কিছুটা বেশি।