বে টার্মিনাল

ব্রেক ওয়াটার নির্মাণে সেলর্নের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি

বঙ্গোপসাগরের মধ্যে ব্রেক ওয়াটার (জলো”চ্ছ্বাস রোধে বাঁধ) নির্মাণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রামের আগামীর বন্দর খ্যাত বে টার্মিনাল প্রকল্পের অধীনে এই ব্রেক ওয়াটার নির্মিত হবে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) বোর্ডরুমে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেলর্ন ও একোয়া কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছে।

ব্রেক ওয়াটার নির্মিত হলে, সাগর থেকে আসা জলোচ্ছ্বাস কিংবা বড় ঢেউ থেকে জেটি রক্ষা পাবে। একই সঙ্গে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি বে টার্মিনালে প্রবেশের চ্যানেলেরও ডিজাইন করবে বলে জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে চবক চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ব্রেক ওয়াটারের ডিজাইন ও চ্যানেলের ডিজাইন সম্পন্ন করবে। এর মাধ্যমে বে টার্মিনালে প্ল্যানিংয়ের কাজ শেষ হতে যাচ্ছে। বাকি থাকবে শুধু ডিজাইন অনুযায়ী বাস্তবায়নের কাজ।

উল্লেখ্য, ইপিজেডের পেছন থেকে দক্ষিণ কাট্টলী রাসমনি ঘাট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বে টার্মিনাল। ইপিজেডের পেছন দিকে সাগরের প্রায় ১ কিলোমিটার ভেতরে উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি আকারে দুটি চর রয়েছে। এই চর দুটি ভাটার সময় প্রায় ডুবে যায়। কিন্তু চর ও উপকূলের মধ্যবর্তী অংশে পানির গভীরতা ৭ থেকে ৮ মিটার। ৭ থেকে ৮ মিটার গভীরতা থাকা এলাকাটি চওড়ায় রয়েছে প্রায় ১ কিলোমিটার লম্বা এবং দৈর্ঘ্যে সাড়ে ৬ কিলোমিটার।

সাগরের ভেতরের এই দুই চরকে শাসন করে ১৪ মিটার চওড়া ও ৫ থেকে ৬ মিটার উচ্চতার দেয়াল নির্মাণ করা হতে পারে। আর এই দেয়ালকে বলা হয় ব্রেক ওয়াটার। উপকূলের অংশে নির্মাণ হবে জেটি। জেটি ও ব্রেক ওয়াটারের মধ্যবর্তী জায়গায় এসে জাহাজগুলো প্রবেশ করবে।