বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে পটুয়াখালীতে বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের তীব্রতাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে, কুয়াকাটা সংলগ্ন সাগর অপেক্ষাকৃত শান্ত রয়েছে।
মাছধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় খাপড়াভাঙ্গা নদীর দুই তীরে নোঙ্গর করা রয়েছে কয়েক’শ সমুদ্রগামী মাছধরা ট্রলার।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পটুয়াখালীর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে। এমন খবরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে জেলার বেরিবাঁধ বিধ্বস্ত এলাকার মানুষ।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭৯ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। মধ্যরাত থেকে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবারহ। এতে জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানার শঙ্কায় পায়রাসহ দেশের সব বন্দরে ৭ নম্বর বিপৎ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও জানমাল রক্ষায় পটুয়াখালী জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলার ৭০৩টি সাইক্লোন শেল্টার ও ব্যবহারযোগ্য ২৬টি মুজিব কিল্লা, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি প্রস্তত রাখা, পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম গঠন, জরুরি ঔষধ, শুকনো খাবার মজুদ, অরক্ষিত ও দুর্বল বেড়িবাঁধ জরুরি মেরামত, সকল মানুষের কাছে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা পৌঁছে দিয়ে সতর্ক করা, উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা, জরুরি সড়ক মেরামত, প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ প্রস্তত রাখার সিদ্বান্ত গৃহীত হয়েছে।