বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই বলে হাইকোর্টকে তথ্য দিয়েছে দুদক। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল বৃহস্পতিবার সংস্থাটির আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান দুদকের পাঠানো তথ্য তুলে ধরে বলেন, দুদকের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলের সংরক্ষিত ডাটাবেজে মকবুলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য উপস্থাপনের তথ্য মেলেনি।
গত ১৬ অক্টোবর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মকবুল হোসেনকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় সরকার। পরদিন ১৭ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘অর্থ কেলেঙ্কারিতে চাকরি হারালেন সচিব মকবুল’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ১৮ অক্টোবর প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের নজরে আনা হয়। আদালত তখন প্রতিবেদনের প্রকাশিত তথ্যের বিষয়ে দুদক অবগত কী না, থাকলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে ২৭ অক্টোবরের মধ্যে দুদক আইনজীবীকে বিস্তারিত জানাতে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেয়। এর ধারাবাহিকতায় দুদকের আইনজীবী গতকাল আদালতকে মকবুলের বিষয়ে তথ্য দেন। এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কি না তা জানাতে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ধার্য করে হাইকোর্ট।
অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দুদক থেকে তার (মকবুল) বিষয়ে কিছু তথ্য আমাদের কাছে দেওয়া হয়েছে যেটি আদালতকে অবহিত করেছি। দুদকের সংশ্লিষ্ট ডাটাবেজে তার বিরুদ্ধে গতকাল (বুধবার) পর্যন্ত অবৈধ সম্পদ অর্জন বা আর্থিক কেলেঙ্কারির মতো কোনো তথ্য আমরা পাইনি। নতুন কোনো তথ্য যদি থাকে তাহলে পরবর্তী তারিখে (৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টকে অবহিত করা হবে।’