চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কাহারঘোনা-মিনজীরিতলা সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু করে খোঁড়াখুঁড়ি করার পর পাঁচ মাস ধরে কাজ বন্ধ থাকায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের এমন বেহাল অবস্থার জন্য ঠিকাদারের গাফিলতিকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক সিএনজি অটোরিকশা ও বিভিন্ন প্রকার যানবাহন চলাচল করে। বৃষ্টির সময় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে সড়কটি। এসময় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তির শেষ থাকে না।
জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এ সড়কটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে বাঁশখালীর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর সার্বিক সহযোগিতায় ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার টেন্ডার হয়। কাজ পায় ফটিকছড়ির মেসার্স প্রিউরীলিপ এন্টারপ্রাইজ। গত জুনের শুরুতে বাঁশখালীর ইউপি নির্বাচনের আগে পৌরসভার আস্করিয়া সড়কের পর থেকে সংস্কারের জন্য রাস্তার ইটগুলো তুলে ফেলা হয়। কিন্তু এরপর থেকে গত ৫ মাস ধরে ঠিকাদার লাপাত্তা।
কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশা চালক জানান, এ সড়কে একদিকে স’মিলের গাছের ভোগান্তি; অপরদিকে ইট তুলে নেওয়ার ভোগান্তি। সব মিলিয়ে কষ্টের শেষ নেই।
সরল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ আজাদ বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের ভোগান্তি দিচ্ছে। বাঁশখালীর সাংসদের সার্বিক সহযোগিতায় টেন্ডার ও কাজ শুরু হলেও ঠিকাদার নানা অজুহাতে কাজ না করাতে ভোগান্তি হচ্ছে জনগণের।’
এ বিষয়ে ঠিকাদারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, ‘ঠিকাদারকে কাজ শুরু করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে, আশা করি কিছুদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবে।’ কাজ শুরু করেও দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নানা কারণে হয়ে ওঠেনি। এবার কাজ করবে।’