১৮ বছর পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ তেঁতুল শেখ কলেজে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
তবে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে জেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিতে দেখা গেছে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা মঞ্চে ওঠার পরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও জেলা যুবলীগের নেতারা মঞ্চে উঠতে গেলে বাধে হট্টগোল। কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে শুরু হয় উভয়পক্ষের হাতাহাতি। এ সময় চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন হট্টগোল থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে কেন্দ্রীয় নেতারা ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এর আগে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌর আওয়ামী লীগের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সম্পাদকরা। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।
প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল আলম এমপি, হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সফুরা খাতুন এমপি, গ্রোরিয়া সরকার ঝর্ণা এমপি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজি আলী আজগর টগর।
দুই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান নান্নু ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম জহুরুল ইসলাম।
পরে বিকেলে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাসানুজ্জামান মানিককে ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আলাউদ্দিন হেলা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবদুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতারা।