একমি চট্টগ্রাম ৫ ম্যাচে চার জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে মেট্রো এক্সপ্রেস বরিশালের সঙ্গে হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পয়েন্ট টেবিলে ছিল যৌথভাবে শীর্ষে। কাল রাতে তাদের হারিয়ে এক ম্যাচ কম খেলেই সমান সংগ্রহের সুযোগ ছিল রূপায়ণ সিটি কুমিল্লার। মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে দলটি শুরুতে ৩-০ গোলে এগিয়েও গিয়েছিল। তবে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে রূপায়ণ সিটির মুঠো থেকে নিশ্চিত জয় কেড়ে নিয়েছে একমি চট্টগ্রাম। ৪-৪ ড্রয়ে ছয় ম্যাচ শেষে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে চলে গেছে একমি।
আগের ম্যাচেই অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে দারুণ জয় পেয়েছিল রূপায়ণ সিটি। কাল শক্তিশালী চট্টগ্রামের বিপক্ষে প্রথম তিন কোয়ার্টারে তাদের ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। ১৮ মিনিটে অধিনায়ক সোহানুর রহমান সবুজের পিসি থেকে লক্ষ্যভেদ এগিয়ে দেয় রূপায়ণ সিটিকে। ২৬ মিনিটে মিলন হোসেন রিভার্স হিটে ২-০ করেন। পরের মিনিটে আরেকটি নিখুঁত পিসিতে ফের উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন সবুজ।
তৃতীয় কোয়ার্টারে এসে এক গোল শোধ দেয় চট্টগ্রাম। ৪২ মিনিটে মনোজ বাবু পিসি থেকে গোলটি করেন। শেষ কোয়ার্টারে চট্টগ্রামের সিরিজ আক্রমণে রূপায়ণ সিটির রক্ষণ এলোমেলো হয়ে যায়। যার সুযোগ নিয়ে ৫০ মিনিটে ব্যবধান ৩-২ এ নিয়ে আসেন ফরহাদ আহমেদ শিটুল। পরের মিনিটেই জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার হাসান যুবায়ের নিলয়ের অসাধারণ ফিল্ড গোলে সমতা আসে ম্যাচে। ৫৫ মিনিটে অবশ্য রূপায়ণের ভারতীয় ফরোয়ার্ড দর্শন দারুণ গোলে লিড এনে দিয়েছিলেন। পরের মিনিটে চট্টগ্রামের পক্ষে পেনাল্টি স্ট্রোকের বাঁশি বাজিয়েছিলেন আম্পায়ার। তবে রেফারেল নিয়ে তা বাতিল করে দেয় রূপায়ণ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ৫৮ মিনিটে আরশাদ হোসেন অসাধারণ ফ্লিকে হৃদয় ভাঙে রূপায়ণ সিটি কুমিল্লার।
জয় না পেলেও পাঁচ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানটা ধরে রেখেছে রূপায়ণ সিটি। অবশ্য শীর্ষে ওঠার সুযোগটা আজই পেয়ে যাবে তারা। আজ রাতে তাদের প্রতিপক্ষ মেট্রো এক্সপ্রেস বরিশাল।