অবশেষে জাহাজ ভিড়ল চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) জেটিতে। গত ২১ জুলাই চালু হওয়ার কথা থাকলেও মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার কারণে ভেড়ানো যায়নি। এখন ভোগ্যপণ্যকে অগ্রাধিকার দিতে ভিড়ল মিয়ানমারের চালবাহী একটি জাহাজ। এখন থেকে টার্মিনালটিতে জাহাজ ভেড়ানোর ধারা অব্যাহত থাকবে।
গতকাল বিকেল ৫টায় পিসিটি জেটিতে পরীক্ষামূলকভাবে এমভি এমসিএল ১৯ নামের মাদারভেসেল (বড় জাহাজ)। মায়ানমারের পতাকাবাহী এই জাহাজটি ভেড়ানো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, ‘এই জেটিটি আমরা অনেক আগেই প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। এখন ভোগ্যপণ্যকে অগ্রাধিকার দিতে এখানে জাহাজ ভেড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর সেই অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষামূলকভাবে এখানে চালের জাহাজ ভিড়ল। আগামীতে ভোগ্যপণ্য নিয়ে আসা আরও জাহাজ এখানে ভিড়বে।’
কী পরিমাণ চাল নিয়ে এসেছে এই জাহাজ এ বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় ২ হাজার ৬৫০ টন চাল নিয়ে মায়ানমার থেকে জাহাজটি এসেছে। জিটুজি (সরকার টু সরকার) পদ্ধতিতে এই চাল সংগ্রহ করা হয়েছে।
জেটিটিতে কোনো ইকুইপমেন্ট না থাকায় গিয়ারড জাহাজ (নিজস্ব ক্রেনযুক্ত জাহাজ) ভিড়বে পিসিটিতে। আর এই জাহাজ ভেড়ানোর মধ্য দিয়ে ২০০৭ সালের পর নতুন কোনো জেটিতে প্রথম জাহাজ ভিড়ল। এর মধ্য দিয়ে জিসিবি (জেনারেল কার্গো বার্থ), সিসিটি (চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল) ও এনসিটির (নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল) পর যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি)।
উল্লেখ্য, পতেঙ্গার ড্রাইডক প্রান্ত থেকে বোট ক্লাবের আগ পর্যন্ত অংশে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের জেটির দৈর্ঘ্য ৪০০ মিটার। পতেঙ্গা বোট ক্লাব ও চিটাগাং ড্রাইডকের মধ্যবর্তী ২৬ একর জায়গায় চারটি জেটির সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে পিসিটি।