গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পিএইচডি ডিগ্রি গ্রহণ করেছেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
পিএইচডি ডিগ্রি গ্রহণ...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমার পিএইচডি শেষ হয়েছে বেশ আগেই। কিন্তু শুক্রবার সেটির সমাবর্তন ছিল। চ্যান্সেলরের কাছ থেকে তা গ্রহণ করতে পেরে আমি আপ্লুত। পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের জন্য লাল অ্যাপ্রন দেওয়া হয়। সেটি পরে অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছিল। সেই ছবি আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে শেয়ারও করেছি।
গবেষণার বিষয়...
রবীন্দ্রসংগীত নিয়েই আমি গবেষণা করেছি। বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্র সংগীতের দুই পর্ব : পূর্ববঙ্গ এবং শান্তিনিকেতন’। পিএইচডি শুরু করি অনেক আগে ড. আনিসুজ্জামান ও ড. মৃদুল কান্তি চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে। তাদের জীবনাবসানের ফলে আমার গবেষণার কাজ ব্যাহত হয়। পরে ড. বিশ^জিৎ ঘোষের তত্ত্বাবধানে গবেষণা শেষ করি।
পড়াশুনায় শিল্পকলা...
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের প্রভাষক হিসেবে প্রথমে কাজ শুরু করি। এরপর আমার হাত ধরেই সেখানে নৃত্যকলা বিভাগটি চালু হয়। এসব বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছি। এর বাইরে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডেও রয়েছি। আসলে আমি সবসময় মনে করি, একজন শিল্পীকে জেনেবুঝে চর্চাটা করা উচিত। সেই প্রক্রিয়াটা যদি হয় একাডেমিক শিক্ষা, তাহলে কিন্তু গুরুত্বটা অনেকখানি বেড়ে যায়। তাই শিল্পকলাবিষয়ক এসব বিভাগ নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী। আশা করছি, আমরা ভবিষ্যতে আরও তৈরি শিক্ষার্থী পাব। যাদের থেকে অনেক নামি শিল্পী কলাকুশলী বেরিয়ে আসবে।
ব্যস্ততা...
শরীরটা খানিক অসুস্থ। তারমধ্যেও কাজ তো করতেই হয়। আমার সংগীত প্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারা’র ক্লাস থেকে শুরু করে একটি বিল্ডিং করার কাজ টেক কেয়ার করতে হচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব তো থেকেই যায়। এসবের ফাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক একটি রিসার্চ প্রজেক্ট করছি। যদিও কাজ বেশিদূর আগাতে পারিনি। এটি সরকারি সহায়তায় হচ্ছে।