স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীর। এ ক্ষেত্রে বাজুস ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) একসঙ্গে কাজ করবে বলেও জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে সোনা চোরাচালান প্রতিরোধে বিএফআইইউ ও বাজুসের আলোচনা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীরের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল ও বিএফআইইউর কর্মকর্তারা এতে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় আনভীর বলেন, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে নীতি নির্ধারণী সংস্থা ‘এশিয়া/প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং (এপিজি)’-এর মাধ্যমে ২০১৫-১৬ মেয়াদে পরিচালিত তৃতীয় পর্বের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশনে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ সংস্থার রেটিং অক্ষুণœ রাখতে বাজুস ও বিএফআইইউর মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগের ক্ষেত্রকে আরও প্রসারিত করতে হবে। এ ছাড়াও তিনি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯-এর আওতায় তাদের দায়-দায়িত্ব ও নির্দেশনা পালনে বাজুস সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিএফআইইউর সহযোগিতা কামনা করেন।
বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের মতো আন্তর্জাতিক সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার দৃঢ় অবস্থান রয়েছে। দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। এ সময় তিনি বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় সংস্থা হিসেবে বিএফআইইউর ভূমিকা অবহিত করেন।