ককটেল বিস্ফোরণ করে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ ও কর্মী জামাল উদ্দিন আকাশকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা-পুলিশ।
এদিকে সাটুরিয়া থানা-পুলিশ সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়ন বিএনপির যুবদলের সভাপতি মো. মাসুদুর রহমান খান স্বপন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি মো. রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার রাতে বেউথা এলাকা থেকে জেলার দুই নেতা এবং বালিয়াটির নিজ নিজ এলাকা থেকে সাটুরিয়া থানা-পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি আব্দুর রউফ সরকার বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের অদূরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানড়া এলাকায় বিকট শব্দে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। একই জায়গা থেকে অবিস্ফোরিত তিন থেকে চারটি তাজা শক্তিশালী ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শহরের বেউথা এলাকা থেকে মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ এবং যুবদল কর্মী জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ককটেল বিস্ফোরক ঘটনায় যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ এবং জামাল উদ্দিনসহ বিএনপির সহযোগী সংগঠনের প্রায় ১৫ জন জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। সবার বিরুদ্ধে সদর থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে।
সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন. বিএনপির নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাতে গোলড়ার কামতা সড়কে মশাল মিছিল বের করে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় সাটুরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ২৮ জনের নামে মামলা করেছেন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ২ থেকে ৩ শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মীকে।
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার সরকার জানান, মঙ্গলবার রাতে সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির কোন অঙ্গ সংগঠন কোনো মিছিল সভা করেনি। এমনকি কামতা সড়কে কোনো মশাল মিছিল করেনি। তবে তিন দিন আগে গোলড়া বাসস্ট্যান্ডে মানিকগঞ্জের যুবদলের নেতাকর্মীরা মিছিল করেছিলেন বলে তিনি জানান।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ১০ তারিখের মহাসমাবেশকে বানচাল করার জন্য এ গায়েবি মামলা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।