কুয়াশায় সৈয়দপুরে সাড়ে ৪ ঘণ্টা বিমান চলাচল বিঘ্নিত

কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বারবার প্রচার করেছে নীলফামারী জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। গতকাল সকাল থেকে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘন কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল দুপুর দেড়টার দিকে স্বাভাবিক হয়। এর আগে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশার কারণে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে কোনো ফ্লাইট অবতরণ ও উড্ডয়ন করতে পারেনি। এতে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস-বাংলা ও নভোএয়ারের পাঁচটি ফ্লাইট বিলম্বে চলাচল শুরু করে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ লোকমান হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত বৃহ¯পতিবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ম্যানেজার সুপ্লব কুমার ঘোষ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বিমানবন্দরের বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। শীতকালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায়ই বিমান চলাচলে বিঘœ ঘটে। এজন্য ফ্লাইট চলাচলের সিডিউল পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে কোনো ফ্লাইট বাতিল করা হয়নি।

এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলোতে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা উত্তরাঞ্চলমুখী দূরপাল্লার নৈশকোচগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। দুপুরের পর নৈশকোচগুলো নীলফামারীসহ বিভিন্ন গন্তব্যে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল করীম দেশ রূপান্তরকে বলেন, শীতার্ত মানুষদের জন্য প্রথম চাহিদায় আমরা ৩১ হাজার ৫০০ কম্বল পেয়েছি, তা উপজেলাগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আবার ৬৪ হাজার কম্বলের চাহিদা পাঠানো হয়েছে, সেগুলো আসলে ইউনিয়ন পরিষদ ও অন্যান্য স্থানে পৌঁছে দেওয়া হবে।