মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এক তরুণীর সঙ্গে অশোভন আচরণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মেহেদি হাসানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই তরুণী রেকর্ড করা বক্তব্য এবং লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক ডা. আব্দুর রাজ্জাককে প্রধান করে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপরদিকে, ওই তরুণী গতকাল সোমবার মানিকগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কমিটির কাছে তার লিখিত বক্তব্য ও অডিও রেকর্ড জমা দিয়েছেন।
তরুণীর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মেহেদি হাসানের কাছে ওই তরুণী আসেন ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা করার জন্য। এসময় ওই তরুণীর মোবাইল নম্বরটি রেখে দেন এই কর্মকর্তা। এরপর থেকে মোবাইলে রাতের বেলায় ফোনে উৎপাত ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন তিনি। অফিস বা হোটেলে শারীরিক মিলনের প্রস্তাব এবং প্রতি রাতে অতিমাত্রায় উৎপাত করায় ওই তরুণী কৌশলে ওই কর্মকর্তার কথা রেকর্ড করে রেখে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মেহেদি হাসান বলেন, ওই তরুণীর অভিযোগ সত্য নয়।