বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ১৬ জানুয়ারি আদালতে হাজির করার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা সিনিয়র বিশেষ জজ আছাদুজ্জামান এ আদেশ দেন। গতকাল মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে মামলাটির চার্জশিট গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহা. নুরুল হুদা আদালতে মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় আফরোজা আব্বাস জামিনে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মির্জা আব্বাস ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য, মেয়র ও মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আফরোজা আব্বাসের নামে ওই টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। জানা যায়, দুদকের তদন্তে অবৈধ ওই সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর ও অবস্থান গোপন করতে কৌশল অবলম্বন করার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা আফরোজা আব্বাস ও তার স্বামী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৮; মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
২০১৯ সালের ৭ জুলাই রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন মামলাটি দায়ের করেন। গত ৮ ডিসেম্বর বাসা থেকে মির্জা আব্বাসকে পল্টন থানার বিস্ফোরক ও পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধাদানের মামলায় গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।