বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত করবে : ডিসিসিআই

চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদের জন্য সরকারি ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ, যা গত ২০২২ অর্থবছরের জুন-ডিসেম্বর মেয়াদে ছিল ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ। সরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ায় বেসরকারি খাতে নতুন ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকে সংকুচিত করতে পারে বলে মনে করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির ঘোষণার একদিন পর গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান ডিসিসিআই প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার।

প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমানোর লক্ষ্যে সরকারকে সুশাসন নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং পাশাপাশি সরকারি ব্যয় কমাতে  হবে। এছাড়াও উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের মধ্যে সরকারকে অপরিহার্য প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সভাপতি ব্যারিস্টার সাত্তার বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে প্রত্যাশা ছিল, নন-পারফর্মিং লোন (খেলাপি ঋণ) নিয়ন্ত্রণে আরও কিছু গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কারণ মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য নন-পারফর্মিং লোন কমানো ও সুশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, কীভাবে নন-পারফর্মিং ঋণ কার্যকরভাবে কমানো যায় সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আরও সুনির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট নির্দেশনা থাকলে তা মুদ্রানীতির জন্য সহায়ক হতো। যেহেতু ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ এবং প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে সে কারণে তিনি নন-পারফর্মিং ঋণের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংককে বিশেষভাবে বিবেচনার তাগিদ দেন।