র‌্যাবের মধ্যে এখন জবাবদিহিতা তৈরি হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, র‌্যাব এখন অনেক ম্যাচিউরড। প্রথম দিকে যাই হোক না কেন, র‌্যাবের মধ্যে এখন জবাবদিহিতা তৈরি হয়েছে। র‌্যাবের কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রও খুশি, তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে তারা কিছু বলেনি। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু এর সঙ্গে বিএনপির বৈঠক কেন হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, সেটা আমাকে কেন, তাদেরই (যুক্তরাষ্ট্র) জিজ্ঞেস করুন। 

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ডোনাল্ড লু এখানে এসেছেন। আলোচনায় তারা হ্যাপি। আমরাও হ্যাপি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চাইছেন, আগামী ৫০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক যেন উন্নত হয়। আমরাও তা চাই।

সব দেশেরই কিছু না কিছু দুর্বলতা আছে, আমাদেরও দুর্বলতা আছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারিও স্বীকার করেছেন, আমেরিকায়ও কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে তাদেরও দুর্বলতা আছে। সে কারণে আমরা সেম লেভেলে আছি। এসব নিয়ে খুব পজিটিভ আলোচনা হয়েছে। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, র‌্যাবের কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র খুব খুশি, তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে তারা কিছু বলেনি। এটা একটি প্রক্রিয়া। আগামী ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র সফর করার জন্য লু’র পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পুরোনো বন্ধু। গত ৫০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আর আমরা আগামী ৫০ বছরে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে চাই। আমরা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। আলোচনা খুব কনস্ট্রাকটিভ হয়েছে। কীভাবে আমাদের এ সম্পর্ককে আরও অর্থবহ করা যায়। মোটামুটি আমরা ঐকমত্যে আছি। তিনি বলেন, আমাদের যে যোগাযোগ এটা খুব কাজের। আমরা ভবিষ্যতে ভালো দিনের অপেক্ষায় রয়েছি। এর ফলে আমাদের মধ্যে যদি কোনো ধরনের প্রশ্ন থাকে, সেগুলো আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব। আর আমরা ভালো পরামর্শ পেলে অবশ্যই গ্রহণ করব। তার নমুনাও দেখিয়েছি। আমাদের কোথাও যদি দুর্বলতা থাকে আমরা ওটা নিয়ে কাজ করব।