মাগুরায় সজীব মোল্যা (১২) নামের এক স্কুলছাত্রকে চোর সন্দেহে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার সজীব উপজেলার ছান্দড়া গ্রামের কহিনুর মোল্যার ছেলে। সে ছান্দড়া প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। শনিবার (২১ জানুয়ারি) তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত সজীবের চাচা জয়নুর জানান, কয়েকদিন আগে ছান্দড়া চৌরাস্তার পাশে হাসানের মুদি দোকানে চুরি হয়। ওই চুরির ঘটনায় চোর সন্দেহে আমার ভাতিজা সজীবকে তারা আটক করে নির্যাতন চালায়। তার পায়ের একাধিক স্থানে লোহার পেরেক ঢুকানো হয়। একইসাথে হাতুড়ি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পাশাপাশি তাকে নির্যাতনের মাধ্যমে জোর করে ভিডিও ধারণ করে চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করে।
শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার ফাহমিদা জামান স্নিগ্ধা জানান, সজীবের অবস্থা গুরুতর, তার পায়ে ও শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শালিখা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. বিশারুল ইসলাম জানান, চোর সন্দেহে সজীব নামের ওই ছেলেটিকে নির্যাতন করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শালিখা থানা পুলিশ ছেলেটিকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স এ ভর্তি করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দোকান মালিক হাসানকে রাতেই পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।