শোবিজ তারকারা সারা বছর দর্শকদের বিনোদনের জন্য কাজ করেন। কিন্তু তারা কীসে বিনোদিত হন? তা নিয়ে এ আয়োজন
মৌটুসী বিশ্বাস, অভিনেত্রী
অভিনয় ও নিজেকে ঋদ্ধ করার জন্য নানা ধরনের কর্মশালা, মাস্টারক্লাসের বাইরে বাকি সময়টা সংসারের জন্যই দিয়ে থাকি। ইদানীং কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। এজন্য গ্রামে গিয়েও থাকতে হচ্ছে মাঝেমধ্যে। এসবই আমি উপভোগ করি। এরপর যদি কোনো সময় বেঁচে থাকে সেটিকে বই পড়া, সিনেমা ও থিয়েটার দেখা, সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য রেখে দিই। এটিই বলতে পারেন আমার ‘মি টাইম’। সম্প্রতি একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের বাচ্চাদের অভিনয় নিয়ে কাজ করছি। নানান ব্যস্ততায় মি টাইম সেভাবে পাচ্ছি না। তাই সেভাবে বই পড়া বা সিনেমা দেখাও হচ্ছে না। আমি একসঙ্গে কয়েকটি বই পড়ি। তবে এখন হাতের কাছে রাখছি ‘স্টোরি’ নামের একটিমাত্র বই। এটি রবার্ট মেকের বড় কলেবরের একটি ইংরেজি বই। এটি মূলত সিনেমার গল্প কেন সফল বা ব্যর্থ হয় সেটির ওপর লেখা। বিষয়টি বোঝাতে লেখক অনেক গবেষণা করেছেন। তাই প্রতি পৃষ্ঠা পড়তে গিয়ে প্রচুর দর্শন তত্ত্ব, নির্মাতা কিংবা সিনেমার রেফারেন্স পাচ্ছি। তার তার মধ্যে অনেকগুলো হয়তো প্রথমবার জানতে পারছি। সেটি বুঝতে আমাকে আবার গুগল করতে হচ্ছে। তাই এই বইটি শেষ করতে সময় লাগবে। আর সিনেমার মধ্যে সর্বশেষ দেখেছি কলকাতার এ সময়ের প্রচণ্ড মেধাবী অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য পরিচালিত ‘বল্লভপুরের রূপকথা’। এর আগে তার নির্মিত ওয়েব সিরিজ ‘মন্দার’ দেখেছি। তার নির্মাণশৈলী আমাকে মুগ্ধ করছে। অনির্বাণ খুব সরলরেখায় গল্প বললেও নির্মাণশৈলী, কালার গ্রেডিং, ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর, সেট-প্রপসের সঙ্গে সাজ পোশাকের সমন্বয় দিয়ে কাজটিকে দারুণ উপভোগ্য করে তোলেন। তিনি দারুণ অভিনেতা বলে তার ছবির শিল্পীদের কাছ থেকে অনবদ্য পারফরম্যান্স বের করে আনেন।