কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নের হেমেরকুটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে খাদেম আলী (৭০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের নারীসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছে। নিহত খাদেম আলী মাস্টারের হাট এলাকা হেমের কুটি গ্রামের মৃত খটু মামুদের পুত্র।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ১০টার দিকে মাস্টারেরহাটের নামা চরে (জোলাপাড়া) এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে মাস্টারেরহাট এলাকার খাদেম মিয়া তার ভোগ দখল করা জমিতে ধান রোপন করার জন্য গেলে একই এলাকার নুরনবীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে আহত হয়ে ইয়াকুব (৩০), এরশাদ (২৮), হোসেন আলী (৬৫) ইসমাইল (৩৭), নূরনবী (৭০), আব্দুল জলিল (৪৩), আব্দুল খলিল (৪২), শফিকুল (৩৫) জসিম (২৩), সহিদা বেগম (৬০), খোতেজা (৬০) হাফসা (২৬) কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় খাদেম আলী (৭০), মেহের আলী (৪২) ও আবু সুফিয়ানকে (২৮) উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে খাদেম আলীর (৭০) মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হলোখানা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ১৭-১৮ বছর থেকে এই দুই গ্রুপের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। আদালতে মামলা চলমান আছে। থানায় কয়েকবার মীমাংসার জন্য ডাক দিলেও একদল উপস্থিত হলেও আরেক দল উপস্থিত হয় না। এরই জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, রংপুর মেডিকেলে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি।এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।