কহিনূর আক্তার সুচন্দা, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও নির্মাতা
এ বয়সে এসে সবচেয়ে আনন্দ পাই ঘুরে বেড়াতে। সম্প্রতি তিন বোন মিলে ভারত, থাইল্যান্ড, মালদ্বীপসহ কয়েকটি দেশ ঘুরে এসেছি। কী যে মজা করেছি আমরা। আমাকে যদি সুন্দর আকাশ আর সুন্দর পানির কাছে বসিয়ে রেখে তিন বেলা খেতেও না দেন, আমি দিব্যি বসে থাকতে পারব! তেমনি একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ মালদ্বীপ। সাগরের গভীর নীল এখনো আমার চোখে ভাসছে। এখন আর সেভাবে নাটক-সিনেমা দেখি না। তাই এ সময়ের ছেলেমেয়েদের কাজও দেখা হয় না। তবে আমাদের সময়ের শিল্পীদের কাজ দেখতাম একটা সময়। প্রিয় নায়িকাদের মধ্যে একদিকে হলিউডের সোফিয়া লরেন, অন্যদিকে বাংলার সুচিত্রা সেন। বাঙালি নায়িকা বলতেই বুঝি মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে। তার যে চলা, বলা, চোখের চাহনি, ব্যক্তিত্ব, সংলাপ প্রক্ষেপণ তার তুলনা কারও সঙ্গে চলে না। আজ পর্যন্ত তার জায়গায় অন্য কাউকে বসাতে পারিনি। তাকে দেখেই হয়তো মনের অজান্তে আমার মধ্যে অভিনয়ের বীজ বপন হয়েছিল। তিনি আমার আদর্শ। বলিউডে নারগিসের অভিনয় সবচেয়ে ভালো লাগত। এরপর মধুবালা, মিনা কুমারী, নূতন রূপে-গুণে অনন্য। শর্মিলা ঠাকুর ছিলেন যুগের চেয়ে এগিয়ে। তার ফ্যাশনসচেতনতা আমাকে মুগ্ধ করত। তবে আমি কাউকেই অভিনয়ের দিক দিয়ে অনুসরণ বা অনুকরণ করিনি। একেবারেই নিজস্ব ভঙ্গিতে কাজ করেছি। নিজের ছবির মধ্যে অসংখ্য ছবি কালজয়ী হয়েছে। তবে আমার সবচেয়ে প্রিয় ‘জীবন থেকে নেয়া’ই।
কথা বলেছেন মাসিদ রণ