বর্তমানে ক্যানুলা আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক সয়াবিন ও পাম তেলের দ্বিগুণ। তাই কানাডা থেকে ক্যানুলা আমদানির ক্ষেত্রে সয়াবিন ও পাম তেলের সমপরিমাণ আমদানি শুল্ক নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছেন কানাডার ব্যবসায়ীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলসের নেতৃত্বে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের (সিসিসি) প্রতিনিধিদল কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের কাছে এমন অনুরোধ জানান।
কানাডার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ক্যানুলা তেলে আমদানি শুল্ক বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, কানাডা বাংলাদেশে পটাশিয়াম সার বিক্রি অব্যাহত রাখবে। এছাড়া বাংলাদেশে ডাল রপ্তানি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ থেকে শাক-সবজি নেওয়ার বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ-কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়াতে ও বাণিজ্য সহজতর করতে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করছেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে গতবছর পটাশিয়াম সার নিয়ে বিশ্বব্যাপী চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। আমরা বেলারুশ থেকে পটাশিয়াম সার কিনতে পারিনি। তখন সরকারের প্রচেষ্টায় কানাডা আমাদের জরুরি ভিত্তিতে ৫ লাখ টন পটাশিয়াম সার প্রদান করে। যার ফলে রবি মৌসুমে ও চলমান বোরো মৌসুমে সার সংকট দেখা দেয়নি।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিন তালুকদার, কানাডা প্রতিনিধিদলের সদস্য কানাডা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর এঞ্জেলা ডার্ক, ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন, কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কিম ডগলাস ও পরিচালক এন্টনি রিজক উপস্থিত ছিলেন।