নেরুদার মৃত্যু ঘিরে রহস্য

চিলির সামরিক শাসক আগুস্ত পিনোচে ক্ষমতা দখলের কয়েকদিন পর পাবলো নেরুদার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর জন্য পিনোচেকে দায়ী করা হলেও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি গবেষকরা নেরুদার দেহাবশেষের ফরেনসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া

স্বৈরশাসক পিনোচে

পাবলো নেরুদা। প্রথিতযশা কবি ও বামপন্থি রাজনীতিক। ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। দুই বছর পর ১৯৭৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোর সান্তা মারিয়া ক্লিনিকে ৬৯ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নেরুদা চার বছর ধরে প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন। এ রোগ তার মৃত্যুর কারণ বলে সে সময় চিলির জান্তা সরকার দাবি করে। তাদের দাবি অবশ্য দেশটির জনগণ মেনে নেননি। নেরুদার বন্ধু ও রাজনৈতিক মিত্র চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট সালভাদর আয়েন্দের সমাজতান্ত্রিক সরকারকে জেনারেল আগুস্ত পিনোচের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করার দুই সপ্তাহের ভেতর বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা এই কবির মৃত্যু ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের মদদে পিনোচের অনুগত সেনারা চিলির প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হানা দিলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আয়েন্দে নিজেকে গুলি করে হত্যা করেন। লাতিন আমেরিকার প্রথম মার্কসবাদী প্রেসিডেন্টের মৃত্যু নেরুদাকে মর্মাহত করে। তিনি বুঝতে পারেন, দেশে থাকলে তার একই পরিণতি হবে। তিনি মেক্সিকোতে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং সেখান থেকে পিনোচে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু দেশত্যাগের ঠিক আগের দিন অসুস্থ নেরুদাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তার আর বেঁচে ফেরা হয়নি। নেরুদার মৃত্যুর বহু বছর পর তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ম্যানুয়েল আরায়া জানান, মারা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তাকে ডেকে নেরুদা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, তাকে পেটে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। ম্যানুয়েল আরায়ার বক্তব্য নিয়ে চিলিজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। নেরুদাকে স্বৈরাচার পিনোচে হত্যা করেছে, এ অভিযোগ ফের ওঠে। পাবলো নেরুদার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করে চিলি সরকার। কবর খুঁড়ে নেরুদার দেহাবশেষ বিভিন্ন দেশে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। একদল আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ তার দেহাবশেষ পরীক্ষার পর গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ফরেনসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি নেরুদার ভাতিজা রোদোলফো রেয়েস স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফইকে জানান, ফরেনসিক পরীক্ষায় কবি নেরুদাকে বিষপ্রয়োগের আলামত পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস রোদোলফোর বরাত দিয়ে জানায়, ডেনমার্ক ও কানাডার গবেষণাগারে ওই পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় নেরুদার দেহে অত্যধিক পরিমাণে ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম নামে ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে, সেখানে ওই ব্যাকটেরিয়া মারাত্মক টক্সিন (বোটুলিনাম টক্সিন) উৎপাদন করে। এই শক্তিশালী টক্সিনের কারণে মানবদেহের নার্ভাস সিস্টেমে পক্ষাঘাত হতে পারে এবং মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। ১৬ ফেব্রুয়ারি ওই প্রতিবেদনের একটি সারাংশ নিউ ইয়র্ক টাইমসের হাতে আসে। তাতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, মৃত্যুর সময় নেরুদার দেহে ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়া ছিল। তবে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি। দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে কবির দেহে ব্যাকটেরিয়াটি প্রবেশ করেছিল নাকি তার দেহে সেটি ইনজেকশন করা হয়েছিল, তা নিয়ে তারা দ্বিধান্বিত। এছাড়া নেরুদার দেহে যে ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে, সেটি ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়ার টক্সিন ধরন ছিল কি না, তাও তারা নিশ্চিত নন। ১৯৭৩ সালে কবি ও রাজনীতিক নেরুদাকে হত্যা করা হয়েছিল নাকি প্রোস্টেট ক্যানসারে তার মৃত্যু হয়, কানাডা ও ডেনমার্কের গবেষণাগার থেকে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক ফরেনসিক প্রতিবেদন সেই প্রশ্ন আবার সামনে নিয়ে এলো।

অবস্থানের পরিবর্তন

পাবলো নেরুদার দেহাবশেষের নমুনা বিশ্লেষণের জন্য চারটি দেশে পাঠানো হয়। ২০১৫ সালে চিলি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, কবির মৃত্যুর জন্য থার্ড পার্টি দায়ী থাকার সম্ভাবনা প্রবল। দুই বছর পর আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল জানায়, তারা শতভাগ নিশ্চিত, প্রোস্টেট ক্যানসারে পাবলো নেরুদার মৃত্যু হয়নি। নতুন ফরেনসিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত মাসে তার ভাতিজা রোদোলফো সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে আমার চাচার দেহে ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনামের উপস্থিতি পেয়েছেন। তার হাড়ে এই ব্যাকটেরিয়া ছিল না। এর অর্থ ১৯৭৩ সালে অভ্যুত্থানের ১২ দিনের মাথায় সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাকে হত্যা করা হয়।’ ২০১৭ সালে পাবলো নেরুদার একটি দাঁতে প্রথম প্রাণঘাতী ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়া পান বিজ্ঞানীরা। চিলিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক ও ঔপন্যাসিক অ্যারিয়েল ডরফম্যান বলেন, ‘আমার দীর্ঘদিনের ধারণা ছিল, পাবলো নেরুদা প্রোস্টেট ক্যানসারে মারা গেছেন। নেরুদার স্ত্রী মাতিলদে উরুতিয়া আমাকে একবার বলেছিলেন, ক্যানসার তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য দায়ী। অবশ্য তিনি এও বলেন, চিলিতে গণতন্ত্রের মৃত্যু তার প্রস্থানকে দ্রুত করে। জেনারেল আগুস্ত পিনোচের গোপন পুলিশের এজেন্ট নেরুদাকে হত্যা করেছে, এমন গুজব আমার কানে এলেও আমি বহুদিন তাতে কান দিইনি। কারণ সবসময় আমার মনে হয়েছিল, চিলির সামরিক শাসক জেনারেল পিনোচে চার বছর ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত একজন মৃত্যুপথযাত্রীকে কেন হত্যা করতে যাবেন? এই ঘৃণ্য কাজ করে কেন তিনি দেশে ও দেশের বাইরে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করবেন? কিন্তু ২০১১ সালে নেরুদার মৃত্যুকে ঘিরে আমার অবস্থান পরিবর্তিত হতে শুরু করে। এর কারণ তার গাড়িচালক ম্যানুয়েল আরায়া। ওই বছর আরায়া জানান, কবিকে বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত তিনি। চিলির কমিউনিস্ট পার্টি যার সদস্য নেরুদা ছিলেন সেই পার্টি তদন্তের দাবি জানালে দুই বছর পর নেরুদার কবর খোঁড়া হয়। প্রথম প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রোস্টেট ক্যানসারেই কবির মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একদল বিশেষজ্ঞ ওই প্রতিবেদনকে উড়িয়ে দেন। তারা জানান, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিলির ওই কবির মৃত্যুর জন্য দায়ী। ছয় বছর পর আজ নেরুদার ভাতিজা রোদোলফো বলছেন, কানাডার ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রতিবেদন তিনি পড়েছেন। তাতে বলা আছে, ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়ার ইনজেকশন নেরুদার মৃত্যুর কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদন চিলির বিচারক পাওলা প্লাজা গনজালেজের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তদন্ত করার নির্দেশ দেবেন তিনি। অপরাধীদের বিচারের কাঠগোড়ায় দাঁড় করানো হবে এমনটা মনে হয় না আমার। আমার ধারণা যদি সত্য হয়, তাহলে এটি চিলির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা হবে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর নেরুদার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। নেরুদার মৃত্যুর রাষ্ট্রীয় বয়ান অর্ধ শতাব্দী পর পাল্টে দিয়েছে সাম্প্রতিক প্রতিবেদন।’ নতুন প্রতিবেদন সম্পর্কে কানাডার ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হেনড্রিক ও ডেবি পইনার বলেন, ‘নেরুদার ভেতরের দিকের একটি দাঁতে প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়া আমরা পেয়েছি। নেরুদার মৃত্যুর সময় ওই ব্যাকটেরিয়া দাঁতের ওই অংশে ছিল। এটি সেখানে কীভাবে প্রবেশ করেছে, তা আমরা এখন পর্যন্ত জানি না। আমরা কেবল এতটুকুই জানি, ব্যাকটেরিয়াটি সেখানে থাকার কথা ছিল না।’

রহস্যের জট

সামরিক শাসক পিনোচে ১৭ বছর লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন। তার সময়ে তিন হাজারের বেশি বামপন্থি কর্মী ও বিরোধীদের হত্যা করা হয়। ২০০৬ সালে ৯১ বছর বয়সে এই স্বৈরাচারের মৃত্যু হয়। হত্যাসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে কখনো শাস্তি পেতে হয়নি। নেরুদার দাঁতে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা যে ব্যাকটেরিয়া পেয়েছেন, ঠিক একই ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করিয়ে পিনোচের আমলে ১৯৮১ সালে চিলির রাজনৈতিক বন্দিদের হত্যা করা হয়। এ কারণে আলোচিত কবি নেরুদার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে চাপে আছে চিলি সরকার। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত অবশ্য কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না, নেরুদাকেও চিলির বামপন্থি কর্মীদের মতো বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছিল। বোটুলিজম (ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্ট প্রাণঘাতী রোগ) বিশেষজ্ঞ জন অস্টিন বলেন, ‘কানাডা ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীদের সিদ্ধান্ত বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে। তাদের ডিএনএ সিকোয়েন্সিং সঠিক।’ তবে অস্টিনসহ নেরুদার দেহাবশেষ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ওই ব্যাকটেরিয়া নেরুদার দাঁতে কীভাবে প্রবেশ করেছিল সেটি যেমন তাদের গবেষণার মাধ্যমে জানা যাচ্ছে না, ঠিক তেমনি বোটুলিজমের কারণে তার মৃত্যু ঘটে, তা জোর গলায় বলা সম্ভব হচ্ছে না। অস্টিন বলেন, ‘ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নয়। ক্ষতিকর তখনই যখন ওই ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টক্সিন উৎপাদিত হয়। যখন একজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়, তখন তার দেহে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় পচন প্রক্রিয়ার জন্য। হতে পারে, নেরুদার মুখে অল্প সংখ্যক ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়া আগে থেকে ছিল, যেগুলো ক্ষতিকর নয়। তার মৃত্যুর পর সেসব ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটে।’ গবেষকরা বলেন, ‘রহস্যের জট খোলার একটা উপায় হতে পারে, নেরুদার দাঁতে পাওয়া ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়ার ধরনের সঙ্গে ১৯৮১ সালে চিলির রাজনৈতিক বন্দিদের দেহাবশেষের ব্যাকটেরিয়ার ধরনের তুলনা করা। তাহলে নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে, নেরুদার মৃত্যু বিষপ্রয়োগে হয়েছিল কি না। তবে ওই রাজনৈতিক বন্দিদের দেহাবশেষ পাওয়া যাবে কি না, আমরা তা জানি না। যদি পাওয়া যায়, আমরা এ নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যেতে চাই।’   

সাম্প্রতিক ফরেনসিক প্রতিবেদন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছে এখনো অনেক কিছু অস্পষ্ট। বোটুলিজম বিশেষজ্ঞ অস্টিন বলেন, ‘নেরুদার মুখে ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেলেও এর অর্থ এই নয়, তাকে ওই ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছিল। কাউকে বোটুলিনাম টক্সিন ইনজেকশনের মাধ্যমে হত্যা করা হলে তার দাঁতে ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনামের ডিএনএ উপস্থিত থাকবেই, এমন কোনো কথা নেই।’ আরেক বোটুলিজম বিশেষজ্ঞ ফ্যাব্রিজিও অ্যানিবালি বলেন, ‘ফরেনসিক প্রতিবেদনের যতটুকু এখন পর্যন্ত জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে আমার মনে হয় না, পাবলো নেরুদা ব্যাকটেরিয়ার কারণে মারা গেছেন। আমি জেনেছি, হাসপাতালে থাকার সময় তাকে পেটে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয় এবং এর ঠিক ছয় ঘণ্টা পর তার মৃত্যু হয়। ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম ব্যাকটেরিয়া প্রাণ সংহারক রূপ নিতে এত অল্প সময় নেয় না, ছয় ঘণ্টা সময় তো খুবই কম। মৃত্যুর আগে নেরুদার শরীরে কী কী উপসর্গ দেখা গিয়েছিল, তা জানলে হয়তো তার মৃত্যুতে ব্যাকটেরিয়াটির ভূমিকা সম্পর্কে জানা যাবে।’ এ বিষয়ে গবেষক ডেবি পইনার বলেন, ‘মৃত্যুর ঠিক আগে কবির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কিত সঠিক তথ্য জানা কঠিন। চিলিতে যারা নেরুদার মৃত্যু নিয়ে কাজ করছেন, তারা হয়তো এ বিষয়ে আলোকপাত করতে পারেন।’