কেউ বলেন চোখের খিদে, কেউ বলেন তারা নাকি খাদ্যরসিক। আসল কারণটা কিন্তু এসব কিছুই নয়। যাদের মুখ ২৪ ঘণ্টা চলছে, মনে তাদের বাসা বেঁধেছে অন্য অসুখ। আমরা যখনই কোনো ভালো খাবার খাই, আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামে এক ধরনের ‘সুখী’ হরমোন ক্ষরিত হয়। শুধু খাওয়া নয়, যে কোনো কাজ যা মনকে তৃপ্তি দেয়, তা এই হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে। যখন কেউ পুষ্টির প্রয়োজন বা খিদে মেটানোর পরও খেয়ে যান, তখন বুঝতে হবে এর পেছনে অন্য কারণ আছে। কী কী কারণে এমনটা হয়?
প্রোটিনের ঘাটতি : খিদে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য শরীরে পর্যাপ্ত মাত্রায় প্রোটিন থাকা জরুরি। প্রোটিনের খিদে কমানোর ক্ষমতা থাকে। ডায়েটে পর্যাপ্ত মাত্রায় প্রোটিন থাকলে আপনার মনে কম খাওয়ার ইচ্ছা তৈরি হয়। আপনার পেট ভরা থাকবে, তাই শরীরে কম ক্যালরি যাবে।
ঘুমের ঘাটতি : সুস্বাস্থ্যের জন্য দিনে অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টার ঘুমের প্রয়োজন। মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে, শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও ক্রনিক অসুখের হাত থেকে রেহাই পেতে পর্যাপ্ত ঘুমের ভীষণ প্রয়োজন। এর পাশাপাশি খিদে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যও ঘুমের প্রয়োজন। ঘুমোনোর ফলে মস্তিষ্কে ঘ্রেলিন হরমোনের ক্ষরণ হয়। এই হরমোন খিদে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
পানি কম খাওয়া : শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যকারিতা বাড়াতে পানি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য পানি যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনই হজম ক্ষমতা বাড়াতেও বেশি মাত্রায় জল খাওয়াতে হবে। শরীরে জলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে খিদেও কম পায়।