ফ্রিডম হাউজের প্রতিবেদন

স্বাধীনতা সূচকে কিছুটা এগিয়েছে বাংলাদেশ

রাজনৈতিক অধিকারচর্চা ও নাগরিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক স্বাধীনতার সূচকে কিছুটা এগিয়েছে বাংলাদেশ। গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ফ্রিডম হাউজের প্রতিবেদনে এবারও বাংলাদেশকে ‘আংশিক স্বাধীন’ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। তবে আগের বছরের তুলনায় স্কোর বেড়েছে। গত বছর ৩৯ স্কোর থাকলেও এবার বেড়ে হয়েছে ৪০।

‘ফ্রিডম হাউজের বিশ্বে ২০২৩ সালে স্বাধীনতা : গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের ৫০ বছর’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৭ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতার মানের অবনমন হচ্ছে, এর পরও যে দেশগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং যে দেশগুলোর পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, তাদের মধ্যে ব্যবধান কমেছে। ২০০৬ সালের পর স্বাধীনতার নেতিবাচক প্রবণতা শুরুর ব্যবধানের হার এবারই সবচেয়ে কম।

গত ১০ বছরে স্বাধীনতার অবনতি হয়েছে এমন দেশের একটি তালিকা করা হয়েছে ফিউজ হাউজের সর্বশেষ প্রতিবেদনে। বাংলাদেশের নাম রয়েছে ওই তালিকায়।

মোটেও ‘স্বাধীন নয়’, ‘আংশিক স্বাধীন’ও ‘স্বাধীন’ এই তিনটি শ্রেণিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের রাজনৈতিক অধিকারচর্চা ও নাগরিক স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিরূপণ করা হয়ে থাকে। এবার ২১০টি দেশ ও অঞ্চলের অবস্থান ফ্রিডম হাউজের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অধ্যায়ে বলা হয়েছে, বিরোধী দল এবং এর সঙ্গে যুক্ত বলে যাদের ধারণা করা হয়, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে অব্যাহত হয়রানির মাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক ক্ষমতা সুসংহত করেছে আওয়ামী লীগ।

এতে আরও বলা হয়, দুর্নীতি অবাধে ঘটছে এবং রাজনীতিকীকরণের মধ্য দিয়ে দুর্নীতিবিরোধী প্রয়াসকে দুর্বল করা হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনায় দুর্বলতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করে তারা দায়মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য বাংলাদেশে গুরুতর সমস্যা।