পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাজেট ঘাটতি একটি সাধারণ ঘটনা। সরকারের উচিত বাজেট ঘাটতি অর্থায়নের জন্য সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা এবং কাঠামোগত সংস্কার করা।
গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) আয়োজিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনার মূল বক্তব্য উপস্থাপনায় তিনি এ কথা বলেন।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এনবিআরকে বাংলাদেশে মোট কর ব্যয়ের একটি ব্যাপক মূল্যায়ন করতে হবে। বাজেটে সামাজিক ব্যয় সংরক্ষণও বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ক্রমাগত ডলার সংকটের কারণে বাজেট প্রণয়নে সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কথা বলেন। এই কারণগুলো কম আমদানি, বিনিয়োগ এবং ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করবে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মজুরি হ্রাসের সঙ্গে পরিবারের চাহিদা হ্রাস পাবে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএমসিসিআই সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির। তিনি বলেন, প্রতি বছর মাত্র ৩ মিলিয়ন মানুষ তাদের ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেয় তবে এই সংখ্যা বাড়ানো উচিত। তিনি নন-তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য করপোরেট কর হার কমানোর এবং বর্তমান মুদ্রাস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনা করে ব্যক্তির জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বিদ্যমান ৩ লাখ থেকে ৫ লাখে উন্নীত করার অনুরোধ জানান।
বিএমসিসিআই সভাপতি বলেন, ২০৪১ সাল পর্যন্ত অবকাঠামো খাতে বাংলাদেশের প্রায় ৬০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। তিনি এই বিনিয়োগের জন্য একটি আর্থিক উৎস ম্যাপিং করার আহ্বান জানান। আমাদের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য, আমাদের রপ্তানি বহুমুখীকরণের দিকে যেতে হবে এবং নতুন সম্ভাব্য খাতগুলো অন্বেষণ করতে হবে।