২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন করবে বাংলাদেশ। এ গ্র্যাজুয়েশনের ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোতে থাকা জিএসপি সুবিধার বাইরে চলে যেতে পারে বাংলাদেশ। ফলে বিপাকে পড়তে পারে দেশের পোশাক থেকে শুরু করে সব ধরনের রপ্তানি। তাই ইইউকে বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন প্রক্রিয়া নির্বিঘœ রাখার জন্য ইইউ পার্লামেন্ট সদস্যের মাধ্যমে ইইউ’কে জিএসপি’র ট্রানজিশন পিরিয়ড ৩ বছর থেকে ৬ বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসেরও সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিচালক এবং ব্যবসা-উন্নয়ন রাষ্ট্রদূত স্টিভেন কোলেট এবং ডিপার্টমেন্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড পলিসি অ্যান্ড ইকোনমিক গভর্ন্যান্সের বিভাগীয় প্রধান ডির্ক ক্লাসানের সঙ্গে দেখা করে এসব দাবি জানান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট মেম্বার, ম্যাক্সিমিলিয়ান ক্রাহ’র সঙ্গে সাক্ষাৎকালেও একই দাবি জানানো হয়। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বেলজিয়ামে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ, ডেপুটি হেড অব মিশন প্রীতি রহমান, এমসিসিআইর সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির এবং কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মো. সাইফুল আজম।