প্রযুক্তির দুনিয়ায় এই মুহূর্তের চর্চার কেন্দ্রবিন্দু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স)। শুধু চর্চাই নয়, বেড়েছে এর ব্যবহারও। মানুষের চিন্তাভাবনাকেও ছাপিয়ে গেছে এই বুদ্ধিমত্তা। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী দিনে এআইর কার্যকারিতা যত বাড়বে ততই কমতে পারে চাকরির সংখ্যা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে যখন এত শোরগোল। ঠিক তখনই এই প্রযুক্তি নিয়ে সাবধান বাণী শোনা গেল খোদ এক এআই গবেষকের মুখে। ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলের মেশিন ইন্টেলিজেন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও গবেষক এলিয়েজার ইউদকভস্কি এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এই আশঙ্কার কথা জানান। তিনি বলেন, এআই নিয়ে আশঙ্কা হলো এটি যদি অতি বুদ্ধিমত্তায় পর্যায়ে পৌঁছতে পারে তাহলে তা পৃথিবীর সবার জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পেছনে যে চেহারাটি রয়েছে, যা আপনার সঙ্গে কথা বলে ও আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয় তা একটি নির্দেশযোগ্য সংখ্যার শ্রেণিবিন্যাস।
৪৩ বছর বয়সী এই গবেষকের মতে, এই প্রযুক্তি এক ধরনের এলিয়েন সভ্যতা নিয়ে কল্পনা করার শামিল। তিনি ও তার সহকর্মী গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, অতিমানবীয় বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা যদি বন্ধ না করা যায় তাহলে পৃথিবীর সবাই মারা যাবে। তিনি মনে করেন, এটি একটি অনিবার্য ঘটনা। এটি যে সম্ভব হতে পারে এমন নয়, এর পরিণতি এটাই হবে সেই বিষয়ে নিশ্চিত।
প্রসঙ্গত, এআইর কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ইলন মাস্ক এবং অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াক। তাদের দাবি, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এআইর সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হোক।