রাজধানীর তেজগাঁও থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হওয়া মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস। গতকাল রবিবার ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ শেখ সাদীর আদালতে আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী ও প্রশান্ত কুমার কর্মকারের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন প্রথম আলোর এই সাংবাদিক। পরে আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত শামসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোতে এক প্রতিবেদনে ‘মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, জাতির জন্য মানহানিকর’ তথ্য প্রকাশের অভিযোগে গত ২৯ মার্চ তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন সৈয়দ মো. গোলাম কিবরিয়া নামে এক যুবলীগ নেতা। এতে শামসের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়। একই অভিযোগে একই দিনে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করেন আবদুল মালেক নামে এক আইনজীবী।
শামসকে গত ২৯ মার্চ ভোররাতে সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসা থেকে সিআইডি আটক করার পর এ দুটি মামলা দায়েরের খবর প্রকাশ পায়। পরদিন রমনা থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। ওই দিন জামিন আবেদন নাকচ করে
শামসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। চার দিন পর ৩ এপ্রিল ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিন মঞ্জুর করে। সেদিনই কারাগার থেকে ছাড়া পান শামস।
রমনা থানার মামলায় প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, শামস ও তার সহযোগী ক্যামেরাম্যানসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় মতিউর রহমান হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন।