সারাদেশ জুড়ে চলছে প্রচণ্ড দাবদাহ। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা ছোট-বড় সবার। এরই মধ্যে প্রায় প্রতিটা ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। শুধু জ্বর নয়, নাক থেকে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে আসা, গলাব্যথাও সঙ্গে রয়েছে।
আর ভাইরাসের সংক্রমণ হলে ডায়রিয়ার সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। এমন অবস্থায় বড়রা সামাল দিতে পারলেও কাহিল অবস্থা হচ্ছে ছোটদের।
চিকিৎসকেরা বলছেন, এই মৌসুমে কেবল ঠান্ডা-গরম থেকেই নয়, নানারকম ভাইরাসের দাপটেও কিন্তু শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা বাড়ছে। অনেকের আবার গরমের সময় রোদ থেকে অ্যালার্জির সমস্যা হয়, সেই থেকেও শ্বাসনালিতে কফ জমে, নাক বন্ধ হয়ে যায়, কাশিও শুরু হয়।
এই সব উপসর্গ দেখলে কী করবেন?
১) চিকিৎসকদের মতে, এই রকম উপসর্গ দেখলেই মাস্ক পরা শুরু করুন আর অন্যদের থেকে বিশেষ করে শিশু এবং ঘরের বয়স্ক সদস্যদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। ঘন ঘন হাত স্যানিটাইজ় করুন। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন।
২) যদি দেখেন জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছুঁয়ে গিয়েছে, তখন প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খেতে পারেন। এর বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৩) নাক বন্ধ থাকলে, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ন্যাজাল স্প্রে দিয়ে নাক পরিষ্কার করে নেবেন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধও নিতে পারেন।
৪) গলাব্যথা ও গলা খুসখুস করলে লবণ-পানি দিয়ে কিংবা পানিতে বেটাডাইন মিশিয়ে গার্গল করুন। দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার গরম পানির ভাপ নিন।
৫) এই সময়ে পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। গরমে সুস্থ থাকার জন্য এর থেকে ভাল দাওয়াই হতে পারে না। ডায়েটের উপর নজর দিন। মৌসুমি ফল এবং শাকসবজি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন। তেল মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।
৬) এই সময় ধূমপান একেবারেই নয়। কেউ সামনে বসে ধূমপান করলেও সেই স্থান থেকে বেরিয়ে আসুন।