কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৮টি দানবাক্সে তিন মাস পর এবার ১৯ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত সাড়ে ৭টা) গণনার কাজ চলছিল। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি ২০ বস্তায় পাওয়া গিয়েছিল ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা। সঙ্গে ছিল বিদেশি মুদ্রা এবং সোনা-রুপার অলংকার। এবারও বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে অলংকার পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে মসজিদে গিয়ে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ টাকা মসজিদের দোতলার মেঝেতে দুই সারিতে লম্বা করে ফেলে ছাত্র-শিক্ষকরা বসে মুদ্রামান অনুযায়ী পৃথক করছেন। এরপর সেগুলো রূপালী ব্যাংকের কাউন্টিং মেশিনে গণনা করে ওই ব্যাংকে মসজিদের হিসাবে জমা করা হবে।
এর আগে সকাল ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ, মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলেন। কোনো রকম বড় ধরনের সমস্যা না থাকলে তিন মাস অন্তর এসব দানবাক্স খোলার রীতি রয়েছে।