সেন্টমার্টিনে প্রায় ৪ ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। ওই সময় বাতাসের তীব্রতায় প্রায়ই ১২০০ ঘরবাড়ি পরিপূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে, উঠে গেছে ঘরের টিন ও ছাউনি, অনেকের গৃহপালিত গরু-ছাগল হারিয়ে গেছে, ভেঙে গেছে দ্বীপের অধিকাংশ গাছ পালা। আর এতে আহত হয়েছেন দ্বীপের ১১ জন নর-নারী। তবুও মোখা কেটে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে দ্বীপবাসীর মনে। এখন ঝুঁকিমুক্ত সেন্টমার্টিনের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।
সেন্টমার্টিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন শুভ বলেন, 'অনেকটা ট্রমার ভেতর দিয়ে গিয়েছিলাম। দ্বীপের মানুষের আকুতি খোদা শুনেছেন। আমাদের নাড়িছেঁড়া ধন দ্বীপটাকে জিইয়ে রেখেছেন।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, বাতাসের গতি কমে যাওয়ায় আমরা ঝুঁকিমুক্ত হয়েছি। তবে দ্বীপে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখানকার বসতি ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ির কিছু না কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া অধিকাংশ মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কষ্টকর হবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান বলেন, কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেয়েছি। বাতাসের গতিবেগ কমে যাওয়ায় ঝুঁকির সম্ভাবনা কমেছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক শাহী ইমরান বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে দ্বীপের প্রায়ই ১২০০ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। শিগগিরই তাদেরকে পুনর্বাসনের কাজ শুরু হবে।