অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চান পোশাক ব্যবসায়ীরা

গভীর সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশ দুটির সামনে এখনো আরও অনেক সুযোগ রয়েছে, যা কাজে লাগানো হলে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে।

গতকাল সোমবার ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী টিম ওয়াটসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। সভায় অস্ট্রেলিয়ান ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেড, অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ সেকশনের পরিচালক ব্রেন্ডন হজসন এবং ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সহকারী সচিব মেগান জোনস, পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী মন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা লুইসা বোচনার এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। বৈঠকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সম্ভাবনা এবং প্রবৃদ্ধির গতি অব্যাহত রাখার প্রস্তুতিসহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান অস্ট্রেলিয়া সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক সহকারী মন্ত্রীকে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্যাপক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া থেকে আরও কটন ও উল আমদানি করতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

তিনি বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তের জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান। এটি এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে সহায়তা করবে।