ফেডারেশন কাপ ফাইনাল

দিয়াবাতের হ্যাটট্রিকে আবার সমতা

ফেডারেশন কাপের ফাইনালে ১৪ বছর পর উঠে এসেছিল মোহামেডান। স্বপ্ন দেখছিল শিরোপা জয়ের। তবে তাদের স্বপ্নে বড় আঘাত লেগেছে প্রথমার্ধেই। আজ কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে জমজমাট ফাইনালের প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে আছে।

খেলার ১৬ মিনিটে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের গোলে এগিয়ে যায় আকাশীরা। এরপর ৪৩ মিনিটে গোল করে মোহামেডান দুর্ভোগ বাড়ান কোস্টারিকান তারকা দানিয়েল কলিনদ্রেস।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয়ে ছিল আবাহনী। মোহামেডান ঘর সামলে চেয়েছে কাউন্টার অ্যাটাকে যেতে। ১২ মিনিটে মোহামেডানের সামনে সুযোগ ছিল এগিয়ে যাওয়ার। মিনহাজুর আবেদীন রাকিবের কর্নার আবাহনী কিপার শহীদুল আলম সোহেল সোহেল ফ্লাইট মিস করলে ব্রাজিলিয়ান রজারের হেড আবাহনী ডিফেন্ডার আলমগীর মোল্লার হাতে লাগলে পেনাল্টির জোড় আবেদন জানান মোহামেডানের ফুটবলাররা। তবে রেফারি আলমগীর সরকার তাতে সাড়া দেননি।

এর চার মিনিট পর ফর্মের প্রমাণ রেখে আবাহনীকে এগিয়ে নেন তরুণ ফরোয়ার্ড ফাহিম। কলিনদ্রেসের কাছ থেকে বল পেয়ে এমেকা ওগবা ডিফেন্সচেড়া পাস বাড়ান। চলন্ত বলে ফাহিমের বাঁ পায়ের শট মোহামেডান কিপার সুজন হোসেনের গ্লাভস ছুঁয়ে জালে জড়ায়।

পিছিয়ে পড়া মোহামেডান তখন বেশ অগোছালোই ঠেকেছে। সুযোগটা কাজে লাগান কলিনদ্রেস। ৪৩ মিনিটে নিজেদের অর্ধ্ব থেকে হৃদয়ের বাড়ানো বল আয়ত্বে নিয়ে মার্কার হাসান মুরাদকে কোন সুযোগ না দিয়ে ডান পায়ের জোড়ালো শটে বল দূরের জালে জড়িয়ে দেন কোস্টারিকান তারকা। যোগ করা সময়ে কলিনদ্রেসের ফ্রি-কিক সুজনের গ্লাভস ছুঁয়ে পোস্ট কাঁপিয়ে বাইরে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে যায় মোহামেডান। একের পর এক আক্রমণ করে চলেছিল। অবশেষে ৫৬ মিনিটে গোল করে আবাহনীর সঙ্গে ব্যবধান কমান মোহামেডান অধিনায়ক দিয়াবাতে। তিন মিনিট পর আরও একটি গোল করে তিনি সমতায় ফেরান দলকে। তবে সমতা বেশিক্ষণ টিকেনি।

৬৫ মিনিটে অ্যামেকার গোলে আবারও এগিয়ে যায় আবাহনী। সেই গোলের পর সমতায় ফিরত মুখিয়ে উঠে মোহামেডান। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে দিয়াবাতে পেয়ে যান হ্যাটট্রিক। কর্ণার শট থেকে হেডে গোল করেন তিনি। তাতে সমতায় ফিরে আসে মোহামেডান।