দেশে প্রতি বছর ৪ হাজার ইউনিট লিফটের প্রয়োজন। চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ লিফট উৎপাদন হয় দেশে। বাকি ৯০ শতাংশ লিফটই আমদানি করতে হয়। দেশের পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠান লিফট আমদানির সঙ্গে জড়িত। এছাড়া দুইটি কোম্পানি দেশীয় প্রযুক্তিতে লিফট উৎপাদন শুরু করেছে। তবে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লিফট আমদানিতে কর বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ করায় বেগতিক অবস্থায় পড়েছে খাত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। এ অবস্থায় লিফট ও এসকেলেটর আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার চায় এলিভেটর, এসকেলেটরস অ্যান্ড লিফট ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার মইনুল ইসলাম বলেন, লিফট ব্যবসার নিয়ম হচ্ছে এক বছর অর্ডার নিয়ে পরবর্তী বছর সেগুলো আমদানি করে ক্রেতাকে পৌঁছে দেওয়া হয়। বারবার নতুন করে কর বাড়ানোর ফলে আমরা আমদানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়ি। অতিরিক্ত যে কর সেটা ক্রেতার কাছ থেকে না নিয়ে নিজের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। ফলে লাভ তো দূরের কথা, লোকসানের মুখে পড়ছি আমরা।
বেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম উজ্জ্বল বলেন, গত অর্থবছরে লিফটের ওপর ৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ানো হয়। পাশাপাশি লিফটকে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ক্যাটাগরি থেকে অবমুক্ত করা হয়। এর ফলে আমদানিকারকরা আরও বেগতিক অবস্থায় পড়েন। এসবের রেশ কাটতে না কাটতেই ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে লিফটকে আবারও ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ক্যাটাগরি থেকে অবমুক্ত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। লিফটকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে ধরে আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান মোট শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া এসকেলেটরকে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ক্যাটাগরি থেকে অবমুক্ত করে আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান মোট শুল্ক ১১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।