টুং-টাং শব্দে মুখর কামারপাড়া

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন রায়পুরের কামাররা। তবে কয়লা ও লোহাসহ সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়া ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে কামার শিল্পীরা।

মঙ্গলবার (২০ জুন) সকাল থেকে উপজেলার রায়পুর বাজার কামার পট্টি, আলিয়া মাদরাসার মাথা, রাখালিয়া বাজার, কামারহাট বাজার, হায়দরগঞ্জ বাজারসহ বেশকিছু কামারশালা ঘুরে দেখা যায় পশু কোরবানির জন্য দা, ছুরি, চাপাতিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে কামারপাড়ায় ঢুঁ মারছেন সাধারণ মানুষ। কেউ আসছেন ঘরে থাকা দা-বটি-ছুড়িতে শান দিতে।

দোকানের জ্বলন্ত আগুনের তাপে কামারদের কপাল থেকে ঝরছে ঘাম। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। তবুও থেমে নেই তারা। সকাল পেরিয়ে রাত পর্যন্ত চলবে হাতুড়ি পেটার কাজ।

যদিও বর্তমানে তেমন একটা বিক্রিবাট্টা নেই, তাই তাদের মুখে নেই কোন উচ্ছাস। তারপরও আসন্ন কোরবানির ঈদের কথা মাথায় রেখে নতুন আশায় বুক বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। হাতুড়ি আর লোহার টুং-টাং শব্দে মুখরিত কামার পট্টিগুলো। ঈদের দিন ভোরবেলা পর্যন্ত চলবে এমন ব্যস্ততা। তবে কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না। কিন্তু পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান কামার শিল্পীরা।

রাখালিয়া বাজারের কামার শ্যামল চন্দ্র কর্মকার বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার তেমন একটা কাজ নেই। কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভও হয় না। কিন্তু পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।