উচ্চমূল্যের পোশাকের বাজার ধরার উদ্যোগ

দেশের ঐতিহ্যবাহী উপকরণ দিয়ে পশ্চিমা রপ্তানি বাজারের উপযোগী উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদন এবং রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে এ খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা ডব্লিউটিও এবং সরকারের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সমন্বিত উন্নত কাঠামো (ইআইএফ) নামে একটি প্রকল্পের অধীনে গত দুই বছর ধরে এ কার্যক্রম চলছে।

গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের উপসচিব ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, বিজিএমইএ ফ্যাশন ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি-বিইউএফটির ভিসি ড. আয়ুব নবী খান, বিজিএমইএর পরিচালক নীলা হোসেন আরা প্রমুখ।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে বাংলার স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রের ফিউশনে উচ্চমূল্যের আধুনিক ফ্যাশন পণ্য উৎপাদন করতে চান তারা। এতে পোশাকের স্থানীয় মূল্যসংযোজন বাড়বে আবার পণ্যে বৈচিত্র্যও আসবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের খাদি, মসলিন এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের মোটিফ যেমন শাপলা, রয়্যাল, বেঙ্গল টাইগার, রিকশা পেইন্ট ইত্যাদি তুলে ধরতে আরও দুটি পৃথক প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা জানান তিনি। একটি নতুন হেরিটেজ ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়। এতে স্থানীয় ঐতিহ্যের পণ্য, অনন্য নকশা বিভিন্ন পণ্যের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

জানা গেছে, ফ্যাশন ডিজাইনার, উদ্ভাবক ও তাঁতিসহ সংশ্লিষ্ট ১৬০ জনকে গত দুই বছর ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রপ্তানি বাজারে ভোক্তাদের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে দেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের ঐতিহ্যবাহী উপকরণ যুক্ত করে (ফিউশন) উচ্চমূল্যের আধুনিক পোশাক উৎপাদনের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।