বিকাশ এজেন্ট হবেন

অনেকেই আছেন ব্যবসা করতে চান। কিন্তু মূলধন ও অভিজ্ঞতা দুটোই কম।  তাই বুঝতে পারছেন না কী ব্যবসা শুরু করবেন। এ সময়ে জনপ্রিয় ও লাভজনক ব্যবসা হলো বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা

ব্যবসা করার নিয়ম

মোবাইল ব্যাংকিং ক্ষেত্রে বিকাশ অনেক সুপরিচিত ও জনপ্রিয়। সবার কাছে পরিচিত এই খাতে আপনি যদি এজেন্ট হয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে আপনি লাভবান হওয়ার সুযোগ পাবেন। মূলত আপনার দোকানে যত বেশি লেনদেন হবে, আয়ের পরিমাণও সেভাবে বাড়বে। মাত্র ১,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করলে মাসে নূন্যতম ১৫,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব।

বিকাশ এজেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা

একজন বিকাশ এজেন্ট হলে, আপনাকে সবার আগে খুলতে হবে বিকাশ এজেন্ট অ্যাকাউন্ট। বিকাশের ওয়েবসাইট থেকে কিংবা আপনার নিকটবর্তী এলাকায় বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর কার্যালয় থেকে খুলে নিতে হবে বিকাশ এজেন্ট অ্যাকাউন্ট। আপনার পূরণ করা তথ্যাদির আলোকে পরবর্তীতে জানানো হবে যে আপনি এজেন্ট হওয়ার যোগ্য কি না।

অ্যাকাউন্ট খুলতে যা প্রয়োজন : এজেন্ট হিসেবে আবেদনকারীর নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন/ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসপোর্ট যেকোনো একটির ফটোকপি, দোকানের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম, যোগাযোগ নম্বর, পূর্ণ ঠিকানা।

উপযুক্ত স্থান নির্বাচন : আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগেই আপনাকে আপনার ব্যবসা কোথায় করবেন সে স্থান ঠিক করে রাখতে হবে। যেহেতু এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রিক হবে আপনার ব্যবসা সেহেতু আপনাকে ব্যবসার জন্য এমন স্থান বেছে নিতে হবে যেখানে লোকসমাগম অন্যান্য স্থানের তুলনায় বেশি থাকে। আপনার ব্যক্তিগত পরিচিতিও ব্যবসায় কাজে আসবে। বিকাশ এজেন্ট ব্যবসার জন্য স্থান হতে পারে যেকোনো ধরনের বাজার, হাসপাতাল, শপিং মল, বাসস্ট্যান্ড, টিকিট কাউন্টার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে অর্থাৎ লোকসমাগম হয় এমন স্থানে। মনে রাখবেন লেনদেন যত বেশি থাকে, আয়ের সুযোগ সেই পরিমাণে বাড়বে।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা কমিশন : প্রতিটি ব্যবসার ক্ষেত্রে মূলধন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মূলধনের ওপর অনেকাংশ নির্ভর করে আপনার ব্যবসার সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা। লেনদেনের পরিমাণের ওপর আপনার ব্যবসার মুনাফা নির্ধারিত হবে। এছাড়া এজেন্ট ব্যবসায় আপনি কমিশন অর্জনের সুযোগ পাবেন। বিকাশ এজেন্ট হিসেবে আপনি দুই ভাবে কমিশন অর্জন করতে পারেন। এক. বিকাশের নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে লেনদেন হলে। দুই. বিকাশ এজেন্ট অ্যাপ-এর মাধ্যমে লেনদেন করলে।

বিকাশ এজেন্টের সুবিধা

বিকাশে আপনি এজেন্ট হিসেবে লেনদেন করলে শুধু যে কমিশন পেয়ে লাভবান হবেন তা কিন্তু নয়। আপনি কমিশনের পাশাপাশি কিছু সুবিধাও পাবেন। যেমন: আপনি কোনো লিমিট ছাড়াই লেনদেন করতে পারবেন যদি আপনার বিকাশ এজেন্ট নম্বর থেকে থাকে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বিকাশ উঝঙ থেকে সহজেই টাকা ক্যাশ করে নিতে পারবেন।