সিভিতে যে ভুল থাকে

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৩৩ এএম

সিভি হলো চাকরিপ্রার্থীর প্রথম পরিচিতিপত্র। সিভি মনোনীত হলেই নিয়োগকারীরা প্রার্থীকে সাক্ষাৎকারে ডাকেন। অনেকে মনে করেন সিভি তৈরি সহজ। কিন্তু, সিভিতে আমরা প্রায়শই যে ভুল করি তা হলো

জোড়াতালি : অনেকের এলোমেলো সিভি থাকে। ধারাবাহিকতা থাকে না। অনেক মানুষ আবার অনলাইন থেকে সিভি নামিয়ে তাতে নিজের ইনফরমেশন যোগ করে পাঠিয়ে দেন। এটাও ভুল। সিভি একজন চাকরিপ্রার্থীর পরিচয় বহন করে। অনলাইন থেকে দেখা সিভি আপনার পার্সোনালিটির সঙ্গে নাও মিলতে পারে। আর নিয়োগকর্তারা অত্যন্ত সহজে এসব শনাক্ত করতে পারেন। তাই অসম্পূর্ণ, এলোমেলো তথ্যে এবং অতিরঞ্জিত সিভি তৈরি করা যাবে না।

বানান ভুল :  অনলাইনে বানান দেখার সুযোগ থাকার পরও সিভিতে বানান ভুল হওয়া অনেক বড় ভুল। নিয়োগকর্তারা সাধারণত অসচেতন ব্যক্তি হিসেবে বিচার করেন। যা চাকরির মার্কেটপ্লেসে যে কাউকে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে রাখে। সিভি তৈরির পর কাউকে দেখিয়ে নেওয়া ভালো।

কি-ওয়ার্ড ব্যবহার না করা : বড়-ছোট ইনস্টিটিউটগুলো কাজের বিপরীত দিকে অ্যাপ ট্র্যাকিং সিস্টেম বা এটিএস অনুসারে সিভি ফিল্টার করে। তারা প্রধানত কি-ওয়ার্ড ও বাক্যাংশ অ্যানালাইসিস করে সিভিগুলো র‌্যাংক করে। এজন্য সিভিতে কাজের বিবরণ থেকে কি-ওয়ার্ড ও বাক্যাংশ মার্ক করুন। তাহলে এটা এটিএস ফিল্টারে সহায়তা করবে। ধারণা করা হয় ৭০ শতাংশ সিভি এটিএস সিস্টেমের সঙ্গে জড়িত। এজন্য সিভিতে কি-ওয়ার্ড ও বাক্যাংশ প্রয়োগ করা হয়। যা অনেকেই করেন না।

ছোট অর্জন অন্তর্ভুক্ত না থাকা : অনেক চাকরিপ্রার্থী া নিজেদের ছোট ছোট অর্জনগুলো সিভিতে উল্লেখকরে না। ছোট একটি অর্জন অন্য যেকোনো প্রতিযোগীর চেয়ে আপনাকে আলাদা করে ফেলবে।‘কি’ পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করুন। আপনার ওই ছোট অর্জনটিই নিয়োগকর্তাকে সন্তুষ্ট করবে।

দীর্ঘ সিভি :  সিভি দুই পৃষ্ঠার মধ্যে রাখুন। অতিরিক্ত তথ্য না দিয়ে জরুরি তথ্য দিন। আপনার যদি অনেক বছরের এক্সপেরিয়েন্স থাকে, তাহলে বিস্তারিত লিখতে যাবেন না। বরং সংক্ষিপ্ত আকারে লিখুন। কারণ, আপনি ১০ বছর প্রথমে কী করেছিলেন তা নিয়ে নিয়োগকারীদের উৎসাহ থাকে না। বরং ক্যারিয়ারের বর্তমান বছরগুলোতে কী করেছেন তারা সেটা দেখেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত