চতুর্থ শিকার শরিফুলের

শুরুতেই তিন উইকেট তুলে নিলে আফগানিস্তানের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। এবার লেজের ব্যাটারদের তুলে নেওয়ার কাজ শুরু করলেন তিনি। আবদুল রহমানকে নিজের চতুর্থ শিকারে পরিণত করলেন এই পেসার।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। শরিফুলের চতুর্থ শিকারে ২৬.৪ ওভারে ৬৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে আফগানরা।

তাইজুলের আঘাত

সাকিব আল হাসানের পর আরেক স্পিনার তাইজুল ইসলামও উইকেটের দেখা পেলেন। অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদিকে সরাসরি বোল্ড করে ফেরালেন তিনি। ২১.৪ ওভারে দলীয় ৫৩ রানে ৬ উইকেট হারাল আফগানিস্তান।

অন্যদের ব্যর্থতার মাঝে হাসমতউল্লাহ কিছুটা ব্যতিক্রম ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ২২ রানের লড়াই থামল তার।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি পেসারদের তোপে পড়ে আফগানরা। ১৫ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট। যার তিনটি উইকেই নেন পেসার শরিফুল ইসলাম, অন্যটি তাসকিন আহমেদ।

এরপর সাকিব আল হাসান উইকেট পেলে ৩২ রানে ৫ হারিয়ে ফেলে আফগানরা।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বেলা ২টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশন। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান।

প্রথম ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ১৭ ও দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪২ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচটা তাই টাইগারদের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশন।

৩২ রানে ৫ উইকেট নেই আফগানদের

শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের পর এবার সাকিব আল হাসান আঘাত হানলেন। ফলে ১৫.৫ ওভারে দলীয় ৩২ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল আফগানিস্তান।

সাকিব এলবিডব্লিউ করে ফেরালেন নাজিবউল্লাহ জাদরানকে। ২২ বলে ১০ রান করেছেন এই বাঁহাতি।

কোণঠাসা আফগানিস্তান

একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন শরিফুল ইসলাম। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তান তাতে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বেলা ২টায় শুরু ম্যাচে দলীয় ১৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা আফগানরা। এই চার উইকেটের তিনটিই নিয়েছেন শরিফুল।

উইকেট পাওয়ার পর শরিফুলের উল্লাস। ছবি: মোশারফ হোসেন ভুবন

নিজের দ্বিতীয় ও ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই দলকে সাফল্য এনে দেন শরিফুল। ইব্রাহিম জাদরানকে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করলেন। সেই আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের উইকেট পাওয়ার উল্লাসে মাতলেন এই পেসার। চার বল পরই তুলে নিলেন রহমত শাহকে। তাকেও উইকেটে পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন সিরিজে প্রথমবারের মতো খেলতে নামা তরুণ। তাতে আফগানিস্তান ২.৫ ওভারে দলীয় ৩ রানে হারায় ২ উইকেট।

এরপর আঘাত হানেন তাসকিন। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে এই পেসার তুলে নেন রহমানউল্লাহ গুরবাজের উইকেট। আগের দুই ব্যাটারের মতো গুরবাজও উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন।

নবম ওভারে শরিফুল তৃতীয়বারের মতো উইকেট পাওয়ার আনন্দে মাতেন। অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবিকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। ৮.২ ওভারে ১৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় আফগানিস্তান।

প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তুলেছে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করা আফগানিস্তান।