বাংলাদেশের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিত করায় তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৩টি পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নেমেছে জিম্বাবুয়ে। দলটির নিয়মিত অধিনায়ক রিচার্ড এনগারভার সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ভাবনায় বিশ্রামে আছেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও নিউম্যান নিয়ামুরি। এই পেস ত্রয়ীকে ছাড়া বোলিং বিভাগ কেমন করবে, সে পরীক্ষার আগে আজ হারারেতে ব্যাট হাতে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে স্বাগতিকরা।
মূলত সফরকারী বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান ওয়েসলি মাধেভেরে। তার ৭৪ বলে ৭৫ রানের সঙ্গে ব্র্যাড ইভান্সের ৪৩ বলে ৫০ রানের সৌজন্যে অলআউট হওয়ারে আগে ১৯৯ রানের পুঁজি পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। বোলারদের সহায়ক উইকেটে ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে।
যদিও আগের দুই ওয়ানডের মতো আজও বল হাতে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। দলীয় ১৭ রানে প্রথম আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারেনকে (২) ফেরান এই বাঁহাতি পেসার। পরের ওভারে আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে আউট করেন তাসকিন আহমেদ। ২ উইকেট হারিয়ে প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে মাত্র ২১ রান তোলে স্বাগতিকরা।
একটু পর দ্বিতীয় শিকার ধরেন শরিফুল। ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন ক্রেইগ আরভিন। এরপর হাল ধরেন মাধেভেরে। চতুর্থ উইকেটে ইনোসেন্ট কাইয়ার (২৫) সঙ্গে ৫১, পঞ্চম উইকেটে সিকান্দার রাজার (১১) সঙ্গে ২৯ ও সপ্তম উইকেটে ইভান্সের সঙ্গে ৪৩ রানের জুটি গড়েন তিনি। মাঝে ক্লাইভ মাডান্ডে ১ রান করে আউট হন। অর্ধশতক করা মাধেভেরে দেখেশুনে খেলে সেঞ্চুরির দিকে ছুটছিলেন, তবে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে তানভীর ইসলামের স্পিনে ধরা পড়েন তিনি। এই মিডল অর্ডার এই ব্যাটার ৭৫ রানে আউট হলে দলের হাল ধরেন ইভান্স। শেষ দিকে তার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে দুই শ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও অর্ধশতক করেন ইভান্স। আজ পেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় ফিফটি হবে।
বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল সর্বাধিক ৪ উইকেট নেন। অনবদ্য বোলিংয়ে ১০ ওভারে ৪ মেডেনসহ ৩২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তাসকিন।