আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হবে বলে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস উপস্থিত ছিলেন। পরে বৈঠকের বিস্তারিত নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা হয়নি। তারাও (প্রতিনিধিদল) জিজ্ঞাসা করেনি। আমারও বলার প্রয়োজন হয়নি।’
আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কথা হয়েছে। এই আইন নিয়ে আগেও যা আমি বলেছি, ঠিক সেই কথাগুলো তাদের বলেছি। সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশোধিত হবে, আমি প্রকারান্তরে এ কথা তাদের জানিয়ে দিয়েছি।’
এক প্রশ্নে আনিসুল হক বলেন, ‘পরিষ্কারভাবেই তারা বলেছেন যে, তারা সব দেশেই ফ্রি ও ফেয়ার ইলেকশন দেখতে চান।’ তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) আইন ও বিচার বিভাগের সচিব ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের বলেছেন, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করার জন্য কাঠামো (আইনি কাঠামো) দেশে আছে। আমিও যেসব আইন সহায়ক সেসব আইনের কথা যেমন আমরা সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের যে আইনটা করেছি সেটার বিষয়েও কথা বলেছি। এটাও আমি বলেছি, ৫০ বছরে বাংলাদেশে এ রকম আইন হয়নি। বর্তমান সরকার এই আইনটা করেছে এবং এটি উপমহাদেশে অন্য কোনো দেশে নেই।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তারা শহীদুল ইসলামের (গাজীপুরের শ্রমিক নেতা) মৃত্যু নিয়ে কথা বলেছেন। আমি তাদের অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে বলেছি, বাংলাদেশে আগের সংস্কৃতি নেই যে বিচার হবে না। বাংলাদেশে এখন যেকোনো অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার হয়।’