পরিবেশ ও কৃষির অভিজ্ঞতা বিনিময়ে জাতিসংঘের চুক্তি

দেশের কৃষি ও পরিবেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, নীতি প্রণয়ন ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের নীতিগত সহায়তা দেবে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কারিগরি ও আর্থিক অনুদান সহায়তা থেকে ১ লাখ ৭৬ হাজার ডলার দেবে সংস্থাটি। গতকাল বুধবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সঙ্গে এফএও’র এ সংক্রান্ত তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তিনটি প্রকল্পের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হবে। এর মধ্যে ‘এনাবলিং ইনক্লুসিভ অ্যান্ড ইফেকটিভ ব্লেন্ডেড ইনভেস্টমেন্ট ইন এগ্রিফুড সিস্টেম ইন কনটেক্সট অব হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের জন্য ৮২ হাজার ডলার, ইনোভেটিভ অ্যাপ্রোচেস ফর বেটার প্লান্ট প্রোডাকশন প্রকল্পে ৬৫ হাজার ডলার ও ‘স্কেলিং আপ ক্লাইমেট অ্যাকশন টু এনহ্যান্স ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যান্ড লাইভস্টক’ প্রকল্পের জন্য ২৯ হাজার ডলার অনুদান দেওয়া হবে।

চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান ও এফএও’র পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডগলাস সিম্পসন। প্রথম দুটি প্রকল্প ফসল উপখাত এবং তৃতীয় প্রকল্পটি প্রাণিসম্পদ উপখাত থেকে ক্ষতিকর গ্যাস নির্ণয়ে কারিগরি সহায়তা দেবে জাতিসংঘ। ফসল উপখাতের দুটি প্রকল্প কৃষি মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ উপখাতের প্রকল্পটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। এ প্রসঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব বিধান বড়াল জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্লোবাল নলেজ, প্রযুক্তিগুলো আসে। এর মাধ্যমে নীতি তৈরি করা যাবে।

তৃতীয় প্রকল্পটিতে প্রাণিসম্পদ খাতে মিথেন গ্যাস নির্গত হয়। এটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে ব্যাপারে নীতি কীভাবে প্রণয়ন করা যায় বা এগুলো নির্ধারণ করা যায় কীভাবে এগুলো জানা যাবে।